নয়াদিল্লি- এক মাস পূর্ণ হল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর। মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে আত্মঘাতীই হয়েছেন অভিনেতা। যদিও সুশান্তের ভক্তরা এবং বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। জন অধিকার পার্টির জাতীয় সভাপতি পাপ্পু যাদবও সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন।

অবশেষে পাপ্পুর সেই দাবিতে স্বীকৃতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অমিত শাহ পাপ্পু যাদবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত করার স্বীকৃতি দিয়েছেন। অমিত শাহের পাঠানো সেই চিঠির ছবি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন পাপ্পু।

চিঠিতেই উল্লেখ করা আছে যে পাপ্পু যাদবের পক্ষ থেকে ১৬ জুন চিঠি চিঠি এসেছিল। সেই চিঠিতে সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছিলেন পাপ্পু। সিবিআই দফতর স্বরাষ্ট মন্ত্রকের আওতায় পড়ে না। ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং এর আওতায় সিবিআই আসে।

তাই অমিত শাহ জানিয়েছেন পাপ্পুর সিবিআই তদন্ত চেয়ে পাঠানো সেই চিঠি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। অমিত শাহের কাছে আরো দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন পাপ্পু যাদব।

অমিত শাহের চিঠিটি শেয়ার করে পাপ্পু টুইটে লিখেছেন, অমিত শাহজি, আপনি চাইলে এক মিনিটে সুশান্তের সিবিআই তদন্ত শুরু হতে পারে। এটাকে এড়িয়ে যাবেন না।

বিহারের গর্ব অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলাম। পদক্ষেপ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে চিঠিটি ফরওয়ার্ড করে দিয়েছেন। এছাড়াও বিজেপি থেকে মনোজ তিওয়ারি, সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।