নয়াদিল্লি: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থা ঘিরে পারদ চরমে৷ মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রোড শো-কে ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড বিদ্যাসাগর কলেজে৷ মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির রোড শো, এবং সেটিকে কেন্দ্র করে টিএমসিপি বনাম বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা৷

জানা যায়, এই সংঘর্ষে বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের একটি মূর্তি ভেঙে ফেলে একদল দুষ্কৃতী৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় অমিত শাহের রোড শো থেকে কিছু কর্মী সমর্থক বিদ্যাসাগরের মূর্তি বাইরে ফেলে ভাঙছে৷ যদিও কে বা কারা ওই মূর্তি কলেজের ভিতর থেকে বাইরে নিয়ে এল তা দেখা যায়নি ভিডিওটিতে৷

এই ঘটনার পরই বিদ্যাসাগর এবং বাঙালি আবেগকে জড়িয়ে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে রাজনৈতিক কামান দাগা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা৷ এরপরই বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে বুধবার সকাল ১১টার সময় সাংবাদিক সম্মেলন করেন অমিত শাহ৷ এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই তিনি বলেন, সিআরপিএফ না থাকলে রোড শো থেকে বেঁচে ফেরা সম্ভবপর হত না৷

পাশাপাশি তিনি এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘ভোট ব্যাংকের রাজনীতির জন্য তৃণমূলের গুন্ডারাই এই মূর্তি ভেঙেছে৷ এফআইআর দায়ের করেছে৷ কিন্তু এসবে আমাকে আটকানো যাবে না৷ আগামী ২৩ তারিখেই ছবি স্পষ্ট হয়ে যাবে, দিদির সময় শেষ হয়ে আসছে৷ ২৩-এর বেসি আসনে বাংলায় আধিপত্য হবে বিজেপিরই৷’

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার শহিদ মিনার ময়দান থেকে ধর্মতলা হয়ে লেনিন সরণী, ওয়েলিংটন হয়ে মিছিল বেঁকেছিল কলেজ স্ট্রিটের দিকে৷ কিন্তু সেখানেই গন্ডোগোলের সূত্রপাত হয়৷ বিদ্যাসাগক কলেজের মূল ফটকের ওপারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা মিছিলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে৷ অমিত শাহ গো-ব্যাক ধ্বনি ওঠে৷