ছবি-মিতুল দাস।

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এনআরসি নিয়ে হিন্দু শরণার্থীদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই৷ প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের অবশ্যই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে৷ কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের কাছে এই এনআরসি একটা হুঁশিয়ারি: অমিত শাহ

বামেরাও রিগিং করত৷ কিন্তু মানুষ জোট বেঁধে ঠিক করেছিল মমতাকে ক্ষমতায় আনলে রাজ্যের বিকাশ হবে৷ বামেরা সেই সময় সন্দ্রাস করেও ঠেকাতে পারেনি পরিবর্তন৷ কিন্তু বিকাশ হয়নি৷ উলটে গনতন্ত্রের অপমান বেড়েছে৷ মানুষ এবার বিজেপিকে আনবে বলে স্থির করে ফেলেছে৷ তাই সন্ত্রাস করেও তৃণমূল বিজেপিকে ঠেকাতে পারবে না৷ এবার বাংলায় বদল আসছেই৷

ভোটের নামে এখানে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে মমতা সরকার৷ ভয় পাবেন না৷ সিআরপি রয়েছে : অমিত শাহ

সুযোগ দিন৷ পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়বে ভারতীয় জনতা পার্টি: অমিত শাহ

বাংলায় শরণার্থী সমস্যার সমাধান একমাত্র বিজেপিই করতে পারে৷ তুষ্টুকরণের রাজনীতি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যা দিয়ে সমস্যা বেড়ে যায়৷ তাদের সমস্যা সমাধানের কোনও সদিচ্ছা নেই: অমিত শাহ

৩৭০ ও ৩৫-এ আইনের পরিবর্তন করা হবে : অমিত শাহ

এনআরসি, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে৷ দেশের সুরক্ষার জন্যই তা দরকার৷ বিজেপি দেশে এনআরসি লাগু করবেই৷ নাগরিকত্ব বিল আইনে পরিণত করা হবে৷ : অমিত শাহ

দেশ কিভাবে সুরক্ষিত থাকবে তা বিরোধীদের ইস্তেহারে নেই৷ আমাদের সংকল্প পত্রে তার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে৷ বিরোধীদের ইস্তিহার ক্ষমতার লক্ষ্যে: অমিত শাহ

রাজ্যে এবার বড় পরিবর্তন হতে চলেছে৷ মমতা প্রথম দুফা থেকেই বুঝে গিয়েছেন এবার আর জয় আসবে না৷ প্রচারেও ভালো ভিড় হচ্ছে না৷ হতাশায় কমিশনের সমালোচনা করছেন৷ মমতা দিদির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনে ভালো লাগে, কারণ উনি তো গণতন্ত্রের কবর দিয়েছেন: অমিত শাহ

দেশের সুরক্ষা কাদের হাতে তা ঠিক হবে এই ভোটের মাধ্যমে সন্ত্রাস দমনে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে কেন্দ্র৷ তাই দেশবাসী ঠিক করবেন কারা আসবে দেশ পরিচালনায় ক্ষমতায়৷: অমিত শাহ

মোদীকে ফের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান ভারতবাসী৷ বাংলায় দু দফায় ভোট হয়ে গিয়েছে৷ জনাদেশ বিজেপির পক্ষেই যাবে: অমিত শাহ

তৃতীয় দফা ভোট মঙ্গলবার৷ বাংলার পাঁচ লোকসভা কেন্দ্রে রয়েছে ভোট৷ তার আগেই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ এদিন রাজ্যে তাঁর চারটি সভা রয়েছে৷ তার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অমিত শাহ৷