নয়াদিল্লি: জামিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সিএএ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। কোনওমতেই এই ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে কড়া অবস্থান নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করার পাশাপাশি এ বিষয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গেও কথা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দিল্লিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে আন্দোলনকারীদের লক্ষ করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রথমে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
এদিন গুলি চালানোর আগে একাধিক ফেসবুক লাইভ করে ওই ব্যক্তি। সে হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যাচ্ছে,এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে ফেসবুক লাইভে। একটি পোস্টে সে লিখেছে, ‘শাহিন বাগ, খেল খতম।’

আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টুইটে এদিন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার কোনওভাবেই এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করবে না।’ অমিত শাহের টুইটের পরই পালটা টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। কয়েক মিনিটের মধ্যেই টুইটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল অমিত শাহের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।’

অভিযুক্তের ফেসবুক পেজ থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসে উত্তরপ্রদেশের কাশগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে চন্দন নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর বদলা নিতে চায় সে। এদিকে, জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে গুলি চালানোর ঘটনায় এক আন্দোলনকারী জখম হয়েছেন। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে পুলিশ।

অন্যদিকে, গোটা ঘটনায় দিল্লি পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, মিছিল ঘিরে যাতে কোনওরকম অশান্তি না বাধে তার জন্য আগে থাকতেই জামিয়ার বাইরে পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশি নজরদারির ব্যর্থতার জেরেই এদিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আন্দোলকারীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।