নয়াদিল্লি ও আগরতলা: ত্রিপুরায় কমিউনিস্টদের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। আপনি আমাদের সঙ্গে চলে আসুন। এরকমই বলে বিতর্কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যাকে বলেছেন-তিনি ত্রিপুরা থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার সিপিএম সাংসদ ঝর্ণা দাস বৈদ্য। সাংসদ সরাসরি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। ঘটনায় ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল আলোড়িত।

ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীদের ভোটে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিয়েছে বিজেপি। ত্রিপুরার পরিস্থিতি অশান্ত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সেটাই তুলে ধরেছেন বাম সাংসদ ঝর্ণা। তখনই শাহের তরফে ওই বাম সাংসদকে সরাসরি দলত্যাগের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই বাম সাংসদকে দলত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ঝর্ণাদেবী জানিয়ে দেন-সিপিএমের একজন সদস্য জীবিত থাকলে আপনাদের সঙ্গে লড়বে। এরপরেই অমিত শাহ দুঃখ প্রকাশ করেন। বলেন-সরি।

ঘটনার সময় ঝর্ণা দাস বৈদ্যের পাশে ছিলেন কেরলের বাম সাংসদে টিকে রঙ্গরাজন। তিনিও পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন দলকে। অভিযোগ, দুই বাম সাংসদকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করিয়ে অবশেষে সময় দেন অমিত শাহ।
২৭ জুলাই ত্রিপুরা পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বিরোধী বাম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, নির্বাচনে ৮৫ শতাংশ আসনেই প্রার্থী দিতে দেয়নি বিজেপি।

সেই বিষয় নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ তথা সিপিএম নেত্রী ঝর্ণা দাস বৈদ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছিলেন। সেই সাক্ষাতেই দল ভাঙানোর কথা বলতেই অমিত শাহকে বাম সাংসদ জানান- তিনি বিজেপির সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে আসেননি। এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে।