বেঙ্গালুরু: মুখ ফসকে নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকেই সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ বলে ফেললেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ৷ এদিন বেঙ্গালুরুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, ‘কর্ণাটকে ‌যদি কখনও দুর্নীতিপরায়ণ সরকারের প্রতি‌যোগিতা হয় তাহলে সেখানে সবার প্রথমে থাকবে ইয়েদুরাপ্পা সরকার।’

একথা শুনে রীতিমতো চমকে ওঠেন পাশে বসে থাকা ইয়েদুরাপ্পা৷ তবে কোনও রসিকতা নয়, কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদুরাপ্পার কথাই বলে ওঠেন অমিত শাহ। অবশ্য তারপরেই ইয়েদুরাপ্পা শাহের কানে কিছু বলেন৷ সঙ্গে সঙ্গে নিজের ভুল শুধরে নেন বিজেপি সভাপতি৷

একের পর এক ভুল করে মঙ্গলবার বিরোধীদের হাতে একাধিক অস্ত্র তুলে দিয়েছে গেরুয়া শিবির৷ এদিন সকালেই নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার আগেই টুইটারে কর্ণাটক নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে বিজেপির অস্বস্তি বাড়ান দলের আইটি সেলের প্রধান। ঘণ্টা কয়েক কাটতে না কাটতেই বেফাঁস বলে দলের অস্বস্তি বাড়ান খোদ বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ৷

এদিন নিজেকে সংশোধন করে অমিত শাহ বলেন, দুর্নীতিপরায়ণ সরকারের দৌড়ে প্রথমে থাকবে সিদ্দারামাইয়া সরকার। কিন্তু হাতিয়ার হাতে পেয়ে গিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস৷
অমিত শাহের ওই মন্তব্যের পরই কংগ্রেস সভাপতি ট্যুইট করেন, বিজেপি তার গোপন তথ্য আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অমিত শাহ নিজের মুখেই বলেছেন, ইয়েদুরাপ্পা সরকার দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিপারায়ণ সরকার।

কর্ণাটক কংগ্রেসের নেতা দিব্যা সান্ধানা ট্যুইট করেন, কে জানত অমিত শাহের মুখ থেকেই সত্যিটা বেরিয়ে পড়বে!’ দলের তরফে ট্যুইটারে লেখা হয়েছে, ‘সত্যি কখনও চাপা থাকে না। অমিত শাহও এখন স্বীকার করছেন, ইয়েদুরাপ্পা সরকারই ছিল সবচেয়ে দুর্নীতিপারয়ণ। এই নিয়েই এখন জলঘোলা চলছে কর্ণাটকের রাজনীতিতে৷