নয়াদিল্লি: দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদেই থাকতে চান অমিত শাহ। সূত্রের খবর, মন্ত্রিত্ব নয়, দলীয় পদেই বহাল থাকতে চান তিনি। উল্লেখ্য, তাঁর হাত ধরেই বিজেপির এই বিপুল সাফল্য এসেছে বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

বৃহস্পতিবার শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তার আগে অমিত শাহের সঙ্গে চলছে তাঁর দফায় দফায় বৈঠক। বুধবারও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠক হয়ছে মোদী ও অমিত শাহের। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক।

অমিত শাহ মন্ত্রী হবেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাঁকে অর্থমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রতিরক্ষা কিংবা বিদেশমন্ত্রকের মত কোনও হেভিওয়েট পোর্টফোলিও দেওয়া হবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। কিন্তু, শোনা যাচ্ছে সরকারের অংশ নাও হতে পারেন তিনি।

যদিও শোনা গিয়েছে, মোদী সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার হাতেই ব্যাটন তুলে দিতে পারেন অমিত শাহ। শাহের সঙ্গে কথা বলেই তিনি কাজ করবেন বলে জানা গিয়েছে। কারণ সামনে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিধানসভা নির্বাচন। আর সেখানে জয় ধরে রাখাটা বিজেপি শিবিরের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সম্ভবত ১০ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে নতুন সরকার। এরপর সেপ্টেম্বরে নির্বাচন রয়েছে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও হরিয়ানায়। সেখানেই শেষ হয়। ভোট হবে জম্মু ও কাশ্মীরেও। আর কর্ণাটকে যে রাজনৃতিক দোলাচল তৈরি হয়েছে, তাতে সেই রাজ্যেও ভোট হতে বেশি দেরি নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা দলের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রাজ্যসভার সদস্য জেপি নাড্ডা। খুব বেশি শিরোনামে না থাকলেও বিজেপির অন্দরে তিনিই যে অন্যতম স্ট্র্যাটেজিস্ট, তা অনেকেই মনে করেন। তাঁকে উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব দিয়েছিল বিজেপি। আর লোকসভায় সেই রাক্যে ৮০-টির মধ্যে ৬২টি আসন পেয়েছে দল। কংগ্রেস ও অখিলেশ-মায়াবতীর তীব্র বিরোধিতাওহার মেনেছে বিজেপির স্ট্র্যাটেজির কাছে।