নয়াদিল্লি: পাখির চোখ একুশের বাংলা-ভোট। শীঘ্রই ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। বঙ্গ সফরের আগে আজ দিল্লিতে জরুরি বৈঠকে অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় নেতারা সম্প্রতি বাংলায় ঘুরে গিয়েছেন। তাঁদের জমা দেওয়া রিপোর্ট ধরে-ধরে আজ আলোচনা করবেন শাহ-নাড্ডারা। পশ্চিমবঙ্গের কোন-কোন জায়গায় সাংগঠনিক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, তা ধরে-ধরে আলোচনা হবে।

নজরে বিধানসভা ভোট। বিহার পকেটে পুরে এবার বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ভোট-ময়দানে পদ্ম শিবিরের নেতারা। জানা গিয়েছে, অমিত শাহ আজ রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। মূলত রাজ্য ঘুরে যাওয়া দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের জমা দেওয়া রিপোর্ট নিয়েই আলোচনা হবে আজকের বৈঠকে।

বাংলায় বিধানসভা ভোটের আরও খানিকটা শক্তি বাড়িয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই শাসকদলের একাধিক বিধায়, নেতা, কর্মী নাম লিখিয়েছেন পদ্ম-শিবিরে। গত নভেম্বর মাসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন একদা তৃণমূলের ডাকসাইটে শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু তৃণমূলের ৬ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। গতকালই তৃণমূল ছেড়েছেন আরও এক বিধায়ক। শান্তিপুরের বিধায়ক অরিনদ্ম ভট্টাচার্য যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। দিল্লিতে গিয়ে বাংলায় দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় অরিন্দমের হাতে দলের পতাকা তুলে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বেশ চনমনে গেরুয়া শিবির।

তবে, শুধুই দলবদলে চমক দিয়েই রাজ্য দখল করা যাবে না, এটা বিলক্ষণ বুঝেছেন মোদী-শাহরা। সাংগঠনবিকভাবে দলকে শক্তিশালী নবা করা গেলে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্য মেলা কঠিন বলেই মনে করেন শাহ।

সেই কারণেই আগেভাগে শাহ-নাড্ডাদের নির্দেশে রাজ্যে ঘুরে গিয়েছেনব দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। জনসংযোগ বাড়াতে আরও কী কী পদক্ষেপ করা যায়, সে ব্যাপারে বাড়তি তৎপরতা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। আজকের বৈঠকে এমনই একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা সারবেন অমিত শাহ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।