ফাইল ছবি

গান্ধীনগর: জাতীয় স্তরে একের পর এক কঠিন ম্যাচে তিনিই দলকে জিতিয়েছেন৷ সেই অমিত শাহ প্রথমবার লোকসভা ভোটের ময়দানে৷ নরেন্দ্র মোদীর ‘রাজনৈতিক গুরু’ লালকৃষ্ণ আদবানির কেন্দ্র গান্ধীনগর থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন তিনি৷

শনিবার অমিত শাহ মনোনয়নপত্র জমা দেন৷ তা মূল্যায়ণের পর দেখা গিয়েছে, সাত বছরে মোদীর সেনাপতির সম্পত্তি তিনগুণ বেড়েছে৷ অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৮ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা৷ ২০১২ সালে তাঁর ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা৷ আর ২০১৭ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩৪ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা৷ অর্থাৎ দু’বছরে ৪ কোটি ৫ লক্ষ টাকা সম্পত্তি বেড়েছে৷ এদিন মনোনয়নপত্রে অমিত শাহ জানিয়েছেন, ৩৮ কোটির মধ্যে ২৩ কোটি ৪৫ লক্ষ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন৷

বিজেপিতে মোদীর পর তিনিই দু’নম্বর ব্যক্তি৷ অথচ তাঁর হাতে নগদ টাকা রয়েছে ২০ হাজার ৬৩৩ টাকা৷ তাঁর স্ত্রীর হাতে রয়েছে ৭২ হাজার ৫৭৮ টাকা৷ বিভিন্ন সেভিংশ অ্যাকাউন্টে শাহ দম্পতির নামে রয়েছে ২৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা৷ আর ফিক্সড ডিপোজিটের পরিমাণ ৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা৷

রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে তিনি যা বেতন পান সেটাই তাঁর আয়ের উৎস বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ৷ এছাড়া বিভিন্ন সম্পত্তি ভাড়াবাবদ তাঁর আয় হয়৷ কৃষিক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন তিনি৷ সেখান থেকেও আয় হয়৷ মনোনয়নপত্র ঘেঁটে জানা গিয়েছে, অমিত শাহ ও তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও গাড়ি নেই৷ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তাঁর কলেজের গণ্ডীও পেরতে পারেননি৷ কর্মাস নিয়ে পড়া শুরু করলেও দ্বিতীয় বর্ষের পর আর তা এগোয়নি৷ অমিত শাহের মাথায় চারটি ফৌজদারি মামলা ঝুললেও একটিতেও দোষী সাব্যস্ত হননি৷ এর মধ্যে দুটি কেস পশ্চিমবঙ্গে ও বিহারে করা৷