স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে ৩১ মে। তারপর লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতামত জানতে চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এমনকি, দেশে করোনা মোকাবিলায় রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়েও দুজনের আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীই নন, সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেই ফোনে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হতে মাত্র আর কয়েকদিন বাকি৷ এরমধ্যেই কেন্দ্রের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে৷ তারই মধ্যে হুহু করে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ ইতিমধ্যেই বিশ্বের সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্ত দেশগুলির তালিকায় উঠে এসেছে ভারত৷ ৪৫৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত দেড় লাখের উপর।

আগামী পদক্ষেপ ঠিক করতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রত্যেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের মতামত নেন অমিত শাহ৷ ১ জুন থেকে কীভাবে চলতে চাইছেন তাঁরা, কোন ক্ষেত্রগুলিকেই বা খুলে দিতে চাইছেন, তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়৷ এখনও পর্যন্ত দেশে প্রতিটি লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর আগে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷

এবারই প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে৷ জানা গিয়েছে, মোটের উপর সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়ে দিয়েছিলেন, এখনই লকডাউন সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পক্ষে নয় পশ্চিমবঙ্গ।

যুক্তি হিসেবে তিনি বলেছিলেন, ট্রেন, মেট্রো, বাস পুরোপুরি চালু করে দিলে যে রেকর্ড ভিড় জমবে রাস্তাঘাটে, তাতে নিশ্চিতভাবেই সংক্রমণ হু হু করে বাড়বে এবং পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে দেশের ১৩টি শহরকে অধিক সংক্রমিত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতাও। তাই কলকাতায় লকডাউন পরবর্তী সময়ে কীভাবে কাজ চলবে, তা নিয়েও আলোচনা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- অমিত শাহর মধ্যে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব