ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: করোনা আক্রান্ত অমিত শাহ। রবিবারই এসেছে সেই রিপোর্ট। নিজেই সেকথা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, তাঁর সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকে যেন আইসোলেশনে থাকেন।

জানা যাচ্ছে, বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও যোগ দেন অমিত শাহ। এদিনের বৈঠকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। সামাজিক দূরত্ব মেনেই হয় মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক। অমিত শাহের একদিকে ছিলেন মোদী আর অন্যদিকে রাজনাথ।

২২ জুলাই আদবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় অমিত শাহের। গত ১৪ দিনে সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলার একাধিক বিজেপি নেতার সঙ্গে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গেও দেখা হয়েছে তাঁর।

অমিতের সঙ্গে দেখা করেন বাবুল সুপ্রিয়, স্বপন দাশগুপ্ত, দেবশ্রী চৌধুরী, সৌমিত্র খাঁ, নিশীথ প্রামাণিক। দেখা করেন জাভড়েকর, গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াতও।

অমিত শাহ করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই এদিন বাবুল তাঁর টুইটে লিখেছেন, “একদিন আগেই অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। চিকিত্সকরা বলছেন, আমি যেন নিজেকে পরিবারের থেকে কয়েকদিন নিজেকে আলাদা করে রাখি। একইসঙ্গে যেন কোভিড টেস্টটাও করিয়ে নিই। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সবটাই করব।”
অন্যদিকে সৌমিত্র খান জানিয়েছেন, “অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ে তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০ ফুট দূরত্ব ছিল। ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা খুবই কম। তবুও সোমবার কোভিড টেস্ট করাব। সেই টেস্টের রেজাল্ট যতদিন না আসছে ততদিন হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকব।”
বাকি তিন সাংসদও জানিয়েছেন, করোনা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন। তবে শুধু এই পাঁচ সাংসদই নন, দিল্লির বৈঠকে যোগ দেওয়া রাজ্য বিজেপির অনেক নেতাই এখন সংক্রমণের ভয় পাচ্ছেন।
যদিও মন্ত্রিসভার বৈঠকে যথেষ্ট সামাজিক দূরত্ব বজায় ছিল, তবুও মোদী-রাজনাথের করোনা পরীক্ষা হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে যথেষ্ট নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে মোদীর বাসভবনে। সামাজিক দূরত্ব সহ সহ বিধি পালন করা হয়েছে। যাতায়াতের জন্য আন্য কোনও গাড়ি ব্যবহার করা হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।