চেন্নাই: বোমাতঙ্কের মধ্যেই চেন্নাই পৌঁছলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার ভোরে চেন্নাই পৌঁছন তিনি। তার আগমন উপলক্ষে শনিবার থেকেই চেন্নাই বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে জোর দেওয়া হয়। রবিবার তাঁর আসার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত কড়া।

পুলিশ সূত্রে খবর, অমিত শাহের চেন্নাই আসার আগে কোনও এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি সেন্ট্রাল রেল স্টেশনে ফোন করে বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে সতর্ক করে। সে জানায়, ১ মার্চ চেন্নাই ও কোচি বিমানবন্দরে বোমা বিস্ফোরণ হবে। এছাড়া ড. এম জি আর সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনও ব়্যাডারে রয়েছে। এদিকে ১ মার্চ, রবিবারই চেন্নাই আসার কথা অমিত শাহের। ফলে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় বিমানবন্দর। অজ্ঞাত পরিচয় ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা এখনও সম্ভব হয়নি। তার অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।

গত সপ্তাহেই মুম্বইয়ে মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে বোমা ভর্তি একটি গাড়ি পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। পেড্ডার রোডের ওপর ওই গাড়িটিকে তল্লাশি শুরু করে বম্ব স্কোয়াড। দেখা যায় ওই পরিত্যক্ত গাড়িটিতে ২০টি জিলেটিন স্টিক রয়েছে। গামদেবী থানার প্রচুর পুলিশ কর্মী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেন। ডেকে নেওয়া হয় ডগ স্কোয়াডকেও। ২০টি জিলেটিন স্টিক পাওয়ার খবর স্বীকার করেছে মুম্বই পুলিশ। তবে এরই সাথে বিবৃতি জারি করে মুম্বই পুলিশের পিআরও জানিয়েছেন শুধু জিলেটিন স্টিকই মিলেছে, আর কোনও বিস্ফোরক মেলেনি। পুলিশের তদন্তকারীরা গাড়ির মধ্যে একটি হুমকি চিঠিও পায়। সেটি আম্বানিদের উদ্দেশ্য করেই লেখা ছিল। ব্যাগে মুম্বই ইন্ডিয়ানসের লোগোও বসানো ছিল।

এছাড়া এমন একাধিক বোমা বিস্ফোরণের হুমকি গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে। এই মাসের গোড়ায় মুম্বই পুলিশ হরিয়ানা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে মুম্বই পুলিশ। শহরের সাতটি মাল্টিপ্লেক্স ও পালঘরে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি দিয়েছিল সে। এছাড়া মুম্বই পুলিশ কমিশনারকেও টার্গেট করেছিল তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।