একাতেরিনবার্গ: সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সব থেকে ধারাবাহিক বক্সার হওয়া সত্ত্বেও নিয়মের জাঁতাকলে পড়ে সরকারি স্বীকৃতি মেলেনি৷ ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছেন৷ ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমসের রুপোর পদক গলায় ঝোলান৷ ২০১৮ এশিয়ান গেমসে জেতেন সোনা৷ চলতি বছরের এপ্রিলে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সোনা জয়ের পর এবার প্রথম ভারতীয় বক্সার (পুরুষ) হিসাবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের রুপো জিতে ইতিহাস গড়েছেন অমিত পাঙ্ঘাল৷

আরও পড়ুন: রাঁচির লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন ধোনিপত্নী

এমন চোখ ধাঁধানো সাফল্যের পরেও জোটেনি অর্জুন পুরস্কারটাও৷ কারণ, ২০১২ সালে অনিচ্ছাকৃত ডোপ নেওয়ার দায়ে নির্বাসিত হতে হয়েছিল পাঙ্ঘালকে৷ নূন্যতম সাফল্যেই যেখানে বহু অ্যাথলিট অর্জুন পুরস্কারের দাবি জানিয়ে থাকেন, সেখানে সরকারি স্বীকৃতি ছাড়াই নিজেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্দীপ্ত করে চলেছেন অমিত৷ বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জেতার পর পাঙ্ঘাল স্পষ্ট জানালেন, নিজে কোনও সম্মান চান না৷ তবে তাঁর কোচ অনিল ধানকরকে যেন দ্রোণাচার্য্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়৷

আরও পড়ুন: ছোটবেলায় ক্ষুধার্ত রোনাল্ডোকে হ্যামবার্গার দিতেন এই মহিলা

অমিত বলেন, ‘নিজের পুরস্কার নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই৷ তবে যদি আমার কোচ অনিল ধানকরকে দ্রোণাচার্য্য পুরস্কারো ভূষিত করা হয়, তবে কৃতজ্ঞ থাকব৷ একেবারে শুর থেকে উনি আমাকে পরিণত করে তুলেছেন৷ এখন আমি যে মানের বক্সার, উনি ছাড়া সেটা হয়ে ওঠা কখনই সম্ভব হতো না৷’

আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক রুপো জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল অমিতকে

পাঙ্ঘাল আরও বলেন, ‘আমি বক্সিং শুরু করি ২০০৮ সালে৷ ধানকর স্যারের কাছে বক্সিংয়ে হাতেখড়ি আমার৷ এখনও পর্যন্ত যখনই সময় পাই, ওনার পরামর্শ নিতে চলে যাই৷ ওনাকে পুরস্কৃত করা মানে আমাকে সম্মানিত করা৷ বরং স্যার সম্মানিত হলে আমি বেশি খুশি হব৷’