Amit Malviya
ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: চলতি বছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স এবং নিট পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গিয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথমেই তা হওয়ার কথা, তবে করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীদের জীবনের ঝুঁকির দিককে উল্লেখ করে পরীক্ষা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন। এবার এই ইস্যুতে বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে বিজেপি-তৃণমূলের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালভিয়া।

মালভিয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতিমারি করোনা সামলাতে পারেননি, তাঁর ক্যাডাররা গরীবদের রেশন চুরি করেছে, আমফান ক্ষতিপূরণ সঠিক জায়গায় পৌঁছয়নি, এবার পরীক্ষাকেন্দ্র ম্যানেজ করতে না পারার দক্ষতা দেখাচ্ছেন। বাংলার কী এমন অদক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর প্রাপ্য”?

প্রসঙ্গত, জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সাম এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিক্যাল কোর্স সংক্রান্ত ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার জানিয়েছেন, “চলুন এ বিষয়ে একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে যাই। এটা ছাত্রছাত্রীদের যন্ত্রণার বিষয়। আমি গণতন্ত্রে এত ঔদ্ধত্য দেখিনি। পরিস্থিতি ভীষণ কঠিন। আমাদেরই ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে কথা বলতে হবে”।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাহিল দেশ থেকে প্রতিটি রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে এত ছাত্রছাত্রীদের জীবন নিয়ে ঝুঁকি কিভাবে নিচ্ছে কেন্দ্র প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

দু’বার ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে কোনো জবাব আসেনি। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, “ছাত্রছাত্রীদের মানসিক যন্ত্রনা এবং মানসিক বিপর্যয় থেকে মুক্তি দিতে চলতি বছরের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হোক”। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রিভিউ পিটিশন ফাইল করার আবেদনও জানানো হয়।

কেন্দ্র পরীক্ষা নেওয়ায় বদ্ধপরিকর। ইতিমধ্যে অ্যাডমিট কার্ডও তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়ে দেয়, চলতি বছরের নিট এবং জয়েন্ট এন্ট্রান্স নির্ধারিত দিনেই হবে। করোনার কোপেই পরীক্ষা আগে নেওয়া যায়নি। তাই সেপ্টেম্বরেই পরীক্ষা হবে।

তবে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অনেকেই চান না এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা হোক। তাই অনেকে বিরোধী দলের বৈঠককে অনেকেই সমর্থন জানিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিতে রাজি নন অভিভাবকরাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।