কলকাতা: একদিকে ধর্মঘট। অন্যদিকে মাঝের হাট ব্রিজকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মসূচী ছিল বিজেপির। আর সেই কর্মসূচিতেই বাধা দেয় পুলিশ।

বিজেপি কর্মী সমর্থকদের দাবি ছিল, মাঝের হাট ব্রিজ খোলার ক্ষেত্রে মমতা সরকারের গাফিলতি আছে। তাই ব্রিজ উদ্বোধনে দেরি হচ্ছে।

কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই পুলিসের সঙ্গে সংঘাত বাঁধে বিজেপি কর্মীদের। পুলিসকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু করে পুলিস। পাল্টা লাঠিচার্জ পুলিসের। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে তারাতলা।

এরপরই তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগেন সদ্য বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তিনি লেখেন, ‘পিসি-র সরকার একের পর এক ডেটলাইন মিস করেছে।’

তাঁর দাবি, বিজেপি দাবি না মেনে উল্টে ফোর্স পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ব্রিজের জন্য কলকাতার দক্ষিণ অংশে এক বিশাল সংখ্যক মানুষের অসুবিধা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৯-এই ব্রিজের কাজ শেষ করবেন বলেছিলেন। ২০২০ শেষ হয়ে এলেও সেই কাজ এখনও হয়নি। অমিত মালব্যর মতে, ব্রিজের ফিতে কাটতে ভোট এগিয়ে আসার অপেক্ষা করছেন মমতা।

অমিত মালব্যকে ছেড়ে কথা বলেনি তৃণমূলও। ‘বাংলার গর্ব মমতা’ হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করে লেখা হয়, তৃণমূল বিজেপির মত ভোটের গিমিকে বিশ্বাস করে না। তৃণমূলের পাল্টা দাবি, রেলের জন্যই ব্রিজের কাজে দেরি হচ্ছে। বিজেপি শুধু ফেক নিউজ ছড়ায় বলেও উল্লেখ করেছে তৃণমূল।

এদিন, বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও সেখানে জমায়েত হয়েছিলেন। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের বাধা দেয়। পাল্টা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশও। ছত্রভঙ্গ হয়ে তারাতলায় ছড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। গোটা এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীদের। এমনকী বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রীদেরও আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অগ্নিগর্ভ তারাতলা অগ্নিগর্ভ তারাতলা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে তারাতলা চত্বর। পুলিশের তাড়া খেয়ে বড় রাস্তার আশপাশের এলাকার গলিগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। বাড়তি বাহিনী নিয়ে তারাতলায় পৌঁছে গিয়েছে। কমব্যাট ফোর্স পৌঁছেছে এলাকায়। জোর করে বিজেপি কর্মীদের অবস্থান ও জমায়েত সরিয়ে দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।