মুম্বই: নিজের শহরকে ঠিক কীভাবে সাজিয়ে তোলা যায়, কীভাবে নগরের উন্নয়ন সম্ভব সে আলোচনায় সামিল হলেন বলিউড সেলেবরা৷ আমির খান, সলমন খান সহ জাভেদ আখতার, ফারহান আখতার, রীতেশ দেশমুখরা আলোচনায় বসলেন রাজ থাকরের সঙ্গে৷

আলোনায় শহরের নানা সমস্যা ও সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেন তাঁরা৷ আমির খান যেমন আরিয়া মিল্ক কলোনির সমস্যা নিয়ে কথা বলেন৷ আরিয়া কলোনি মুম্বইয়ের গ্রিন বেল্ট হিসেবে পরিচিত৷ সেখানে গাড়ি রাখার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তাঁর সমালোচনা শোনা যায় আমিরের মুখে৷ একই সঙ্গে আমির জানান, যে কোনও উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে শহরের সাধারণ বাসিন্দাদের মতামত নেওয়া উচিত৷ নইলে এ ধরনের আলোচনারও যে কোনও সার্থকতা থাকে না তাও জানান তিনি৷

এই আলোচনার উদ্যোক্তা ছিলেন রাজ থাকরে৷ তাঁর মতে এই সেলেবরা নানারকম সামাজিক কজকর্মের সঙ্গে যুক্ত৷এঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শহরের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলেই তাঁর অভিমত৷ সলমন খান ‘বিয়িং হিউম্যান’ সংস্থার মাধ্যমে কাজ করেন৷ জাভেদ আখতার নিজে সাংসদ, এবং তাঁর তহবিল থেকে  ২৫ কোটি টাকা দিয়েছেন শহরের নিকাশি ব্যবস্থা উন্নত করে তুলতে৷ আমির নিজে ‘সত্যমেব জয়তে’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নানা সামাজিক সমস্যাকে সামনে থেকে দেখেছেন৷ রীতেশ দেশমুখ শুধু অভিনেতা নন, একজন স্থপতীও বটে৷ তাই তাঁর মতামতও গুরুত্বপূর্ণ৷  বলি সেলেবদের এই  অংশগ্রহণে খুশি রাজ থাকরে৷ তিনি জানান, এই সেলেবরা শহরকে কতটা ভালোবাসেন তা তাঁদের অংশগ্রহণেই স্পষ্ট৷

বলিসেলেবরা যেভাবে মুম্বই নগরীর উন্নয়নে এগিয়ে এলেন তা অন্যান্য শহরের অভিনেতাদের কাছেও দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।