তেহরান-বেজিংঃ  ইরান থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিল চিন। তেহরানের তেল কেনার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি দেশকে দেওয়া ছাড় বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে আমেরিকা। আর তারপরেই এহেন সিদ্ধান্ত নিল বেজিং। এভাবে তেল কেনা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ইরান।

তেহরানের পার্লামেন্টের অর্থনৈতিক কমিশনের সদস্য রাহিম জারকে কোট করে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চিন, গ্রিস, ভারত, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুরস্ককে ইরানি তেল কেনায় আগে ছাড় দিয়েছিল আমেরিকা। মার্চে তারা দৈনিক ১৬ লাখ ব্যারেল তিন কিনতো। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড়ের সময় আর না বাড়ানোয় তারা তেহরানের তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। রাহিম জারে বলেন, তারা সত্যিকার অর্থে নিষেধাজ্ঞাকে মেনে চলছে।

সে দেশের প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়, মে মাসের মাঝামাঝিতে ইরানের ক্রাগ দ্বীপের তেল টার্মিনাল থেকে যখন একটি চিনা ট্যাংকার বোঝাই করা হচ্ছিল, তখন সেটাকে চিন ফের অপরিশোধিত তেল ক্রয় শুরু করে দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার দিকে চলে যায়। বর্তমানে সেটি ওমান উপসাগরের ইরানি উপকূলে রয়েছে।

ইরানের একাধিক তেল সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কূলে থাকাকালীন জাহাজটিতে তেল ভরা ছিল। কেবল তেল মজুদের জন্যই এটি ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের খবর বলছে, চিনা সংস্থা এখন আর ইরানি তেল কিনছে না। তবে ফের চিনের কাছে তেল বিক্রি করতে পারবে বলে আশায় আছে ইরান। মাস দুয়েক আগে চিনে তেল সরবরাহ করা এক ইরানি ব্যবসায়ী জানিয়ে ছিলেন, চিনের ছোট একটি পরিশোধনাগারের কাছে ২০ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রি করতে আলোচনা করছেন তিনি। কিন্তু দুই দেশের সরকারের কাছ থেকে তিনি এখনও অনুমোদন পাননি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ