পুদুচেরি : গত এক সপ্তাহ ধরে রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে। ভি নারায়ণস্বামীর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা, সরকার পড়ে যাওয়া, সব মিলিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত ছিল পুদুচেরিতে। আস্থা ভোটে শাসক দল হেরে যাওয়ার পরে গভীর সংকট তৈরি হয়। অবশেষে বিশেষ ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। পুদুচেরিতে রাষ্ট্রপতি শাসনে সায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার।

কোনও রাজনৈতিক দলই পুদুচেরিতে সরকার গঠন করতে রাজি না থাকায় বাধ্য হয়েই রাষ্ট্রপতি শাসনের পথে হাঁটতে হয়েছে বলে বুধবার জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। এবার রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলেই ভেঙে দেওয়া হবে বিধানসভা। ২০২১ সালের এপ্রিল মে মাসে নির্বাচন হতে চলেছে পুদুচেরিতে।

এর আগে, ২২শে ফেব্রুয়ারি সরকারের পতন হয় পুদুচেরিতে। আস্থা ভোটে হেরে যান মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামী। পুদুচেরি বিধানসভায় ভোটাভুটি ছিল। আস্থা ভোটে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি নারায়ণস্বামী। তবে ভোটাভুটি শুরু হওয়ার আগেই ৩৩ আসনের বিধানসভায় শাসক জোট কংগ্রেস-ডিএমকের শক্তিক্ষয় হয়। ১১জন বিধায়ক সংখ্যা নিয়ে আস্থা ভোটে হার নিশ্চিত ছিল সরকারের।

এদিকে বিরোধীদের সংখ্যা ছিল ১৪। রবিবার দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করেন। আস্থা ভোট চলাকালীন ওয়াকআউট করেন কংগ্রেস বিধায়করা। এদিন যেসব কংগ্রেস বিধায়করা পদত্যাগ করেছেন, তারা মানুষকে কি জবাব দেবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবার পদত্যাগ করেন কংগ্রেস বিধায়ক লক্ষ্মীনারারণ। দলে নিজের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। কাজ করতে পারছেন না। তিনি কংগ্রেসের চারবারের নির্বাচিত বিধায়ক। কিন্তু তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, তাঁর পদত্যাগের পর পুদুচেরিতে ২৬টির মধ্যে কংগ্রেসের হাতে ছিল মাত্র ১২টি আসন। সম্প্রতি পুদুচেরির কংগ্রেস বিধায়ক এ জন কুমার পদত্যাগ করেন। এরপরেই কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। জন কুমারের পদত্যাদের পর পুদুচেরির ৩৩ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস-ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-বিজেপি দুই জোটেরই বিধায়ক সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৪। কিন্তু, এই দুই বিধায়কের পদত্যাগের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় শাসক জোট।

জনকুমার ২০১৯ সালে উপনির্বাচনে কামরাজনগর থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তার এই পদত্যাগের ফলে কংগ্রেস সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংকটে পড়ে যায়। যদিও ভি নারায়ণস্বামী আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এই অবস্থাতেও। তিনি দাবি করেন, তাঁদের সরকার আদৌ সংখ্যালঘু হয়ে পড়েনি। যদিও খুব একটা মিলল না তাঁর আত্মবিশ্বাস, সেটা এখন প্রমাণিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।