বেঙ্গালুরু : একটার পর একটা ক্লাস, ঘন্টার পর ঘন্টা পড়া। লকডাউনের পর থেকে এমনই রুটিন শিশুদের। সারাদিন চোখ রাখতে হয় কম্পিউটার স্ক্রিনে, ফল বিরতিহীন পড়াশোনা (online classes)। এই ধরণের রুটিনের ফলে অবসাদে ভুগতে শুরু করছে শিশুরা। সেই পরিস্থিতি থেকে পড়ুয়াদের মুক্তি দিতে বেঙ্গালুরুর স্কুলগুলি অভিনব উপায় বের করেছে।

গত নয় মাস ধরে বেঙ্গালুরুর বেসরকারি স্কুলগুলো চালু করেছে কয়েকটি নিয়ম (digital detox routine)। শিশুদের এই ধরণের অবসাদকে বলা হচ্ছে ডিজিটাল ফ্যাটিগ। তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে টানা ক্লাসের মাঝে এক সপ্তাহের ছুটির ব্যবস্থা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষগুলি (schools devise digital detox routine)। এছাড়াও রাখা হচ্ছে ওয়েলনেস সেশন, যেখানে কাউন্সেলিং চলছে শিশুদের।

অভিভাবকদের সাথেও কথা বলছেন স্কুলগুলির কর্তৃপক্ষ। অনলাইন ক্লাসের বাইরে যেন শিশুদের স্ক্রীনের সামনে থাকতে না হয়, তাদের জন্য যেন একটা বাইরের জগত তৈরি করা হয়, সেই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গরমের ছুটি কমিয়ে সেখান থেকেই সারা বছর ধরে অল্প অল্প ছুটি দেওয়া ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে পড়ার একঘেয়েমি থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবে পড়ুয়ারা।

স্কুলগুলি জানিয়েছে, এরই সঙ্গে হাইব্রিড লার্নিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কী এই হাইব্রিড লার্নিং? স্কুলগুলি জানাচ্ছে অনলাইন ক্লাস ও অফলাইন ক্লাস একসঙ্গে চালানো হবে। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেই পড়ুয়াদের অবসাদ মুক্ত হওয়ার টিপস দেবেন শিক্ষকরা। এছাড়াও থাকবে ব্যায়াম, যোগ প্রশিক্ষণের ক্লাস, থাকবে শারীরিক কসরত শেখার সুযোগ। এজন্য বিশেষ কাউন্সিলর নিয়োগ করা হতে পারে।

কাউন্সিলররা ছাত্র ছাত্রীদের মনসংযোগ বৃদ্ধি, ধ্যান ও প্রাণায়ামের প্রশিক্ষণ এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নানা ব্যায়াম শেখাতে পারেন। প্রতি ক্লাসের পরে কোয়াইট টাইম রাখা হবে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট বিরতিতে ছাত্র ছাত্রীদের মৌন থাকতে হবে, সেই সময় চলবে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম।

এদিকে, পড়ুয়াদের জন্যে প্রত্যেকদিন ২ জিবি করে ডেটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী। ঘোষণা অনুযায়ী, প্রত্যেকদিন ৯ লক্ষ কলেজ পড়ুয়া এই সুবিধা পাবেন। যেখানে প্রত্যেকদিন ২ জিবি ডেটা দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। জানুয়ারি থেকেই এই সুবিধা পেতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা। অনলাইনে ক্লাস করতে চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।