ভোপাল: লকডাউনের বিরাট প্রভাব পড়েছে কর্মসংস্থানে। কাজ হারিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে অভাবের তাড়নায় মাটি কোপানোর মতো কাজ করতেও পিছপা হচ্ছেন না শিক্ষিত যুবকেরা। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ থেকে সামনে এসেছে এমনই একটি ঘটনার কথা।

এক ইঞ্জিনিয়ার সহ ১৫ জন গ্রাজুয়েশন পাশ উচ্চশিক্ষিত ছেলে উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে কাজ করছেন মহত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রূঢ়াল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট (এমজিএনরেগা) প্রকল্পে।

২৪ বছরের শচীন যাদব যিনি কিনা ইঞ্জিনিয়ার। স্বপ্ন দেখেন ডেপুটি কালেক্টর হবেন। কিন্তু লকডাউনের জেরে চাকরির অভাবে পড়ে ইন্দোর থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে গোয়াদি গ্রামে তিনি বাধ্য হয়েছেন মনরেগা প্রকল্পে কাজ করতে।

পিটিআই-কে দেওয়া একটি স্বাক্ষাৎকারে সে জানিয়েছে, “২০১৮-১৯ সালে আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা পাস করেছি। লকডাউনের আগে আমি ইন্দোরে ছিলাম ও ডেপুটি কালেক্টর হওয়ার জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন (এমপিপিএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তবে আমার কোচিং ক্লাস বন্ধ থাকায়, আমি ইন্দোরে কিছু সময়ের জন্য আটকে থাকার পরে এখানে ফিরে এসেছি।”

তিনি জানিয়েছেন, এই শ্রমিক হিসাবে কাজ করার পাশাপাশিই তিনি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একান্ত বাধ্য হয়েই এ কাজ করতে হচ্ছে তাঁকে। দিন শেষে ৮ ঘন্টা হাড়ভাঙা খাটুনির পর দিনে মিলছে ১৯০ টাকা।

পাশপাশি শচীন জাদব বলছেন, এ পরিস্থিতিতে তিনি শিখেছেন কোনও কাজই ছোট না। করোনার জন্য বসে সময় নষ্ট না করে যে কোনও কাজ করা ভালো বলে মনে করছেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ