নিউইয়র্ক: করোনা ভাইরাস সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আমেরিকার ২ বছর সময় লাগবে। প্যানডেমিক বিশেষজ্ঞরা অন্তত তেমনই বলছেন। জানা যাচ্ছে ডেলি মেলের একটি প্রতিবেদন থেকে। বিশেষজ্ঞদের গবেষণা বলছে, অদূর ভবিষ্যতেও মানুষের মৃত্যু হবে এই ভাইরাসের জেরেই। করোনা পরবর্তী সময়েও খুব খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে আমেরিকা। এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

করোনা সংক্রমণে ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৬৪ হাজারেও বেশি মানুষের। আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষেরও বেশি। এর চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি হতে চলেছে নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। হোয়াইট হাউস ইনফেকশস ডিজিজ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি বলছেন, করোনা ভাইরাসের আরও একটি আক্রমণ এখনও বাকি আছে। আর তাকেও আটকানো যাবে না। এমনকি অদূর ভবিষ্যতে পুরোপুরি লকডাউন ওঠার কোনও সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে না। বরং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পদ্ধতি বজায় রাখতে হবে পরেও। যাতে পুনরায় এই করোনা ভাইরাস আক্রমণ করতে না পারে।

নভেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন রয়েছে। তার আগে করোনা মোকাবিলার কড়াকড়ি শিথীল করা যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সেন্টার ফর ইনফেকশস ডিজিজ রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির বিশেষজ্ঞদের দল জানাচ্ছে ১৮ থেকে ২৪ মাস এই মহামারীর রেশ থাকবে কারণ ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে।

এই গবেষণায় তিনটি সম্ভাব্য অবস্থার কথা বলা হয়েছে- অবস্থা ১) এখানে বলা হচ্ছে, মহামারী চলতে থাকবে। কিন্তু এর তীব্রতায় ওঠানামা লেগেই থাকবে। ধীরে ধীরে এই ভাইরাস শেষ হতে ২০২১ হয়ে যাবে। অবস্থা ২) এখানে সবচেয়ে সাংঘাতিক পরিণতির কথা বলা হয়েছে। এখন যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে করোনার জেরে তার চেয়ে অনেক বড় বিপদ আসার কথা বলা হয়েছে আসন্ন শীতে।

অবস্থা ৩) এখানে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভাইরাস ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। তবে অবস্থার কোনও ওঠানামা থাকবে না। একই গতিতে কমতে থাকবে ভাইরাসের দাপট। তবে এর জন্য ২০২২ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

এই তিনটি অবস্থার ছানবিন করেই বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এখন থেকেই সাবধানতা বজায় না রাখলে ফলাফল হিসেবে আমেরিকায় এই দ্বিতীয় অবস্থাই জায়গা করে নিতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির থেকেও আরও ভয়াল রূপ নিতে পারে এই মহামারীর পরিণতি। আর তার থেকে নিস্তার পেতে ২টো বছর লেগে যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।