ওয়াশিংটন: সপ্তমে মার্কিন ইরান সম্পর্ক৷ দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে৷ সেই উত্তেজনা আরও বাড়ল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার নয়া অর্থনৈতিক অবরোধের জেরে৷

প্রসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্য এশিয়ায় অস্থির পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনিকে৷ ইরানকে পরমানু শক্তিধর হওয়া থেকে আটকাতে আমেরিকা সর্বশক্তি নিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷

পারস্য উপসাগরে ইরানি সীমান্তের ভিতর চলে আসা একটি মার্কিন ড্রোনকে গুলি করে ধংস করে ইরানি রক্ষীরা৷ তারপর থেকেই তেহরানের লাগাতার হুমকি ও রাষ্ট্রসংঘে চরম পত্র পাঠানোর জেরে আরও উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক মহল৷ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান সরকারের দাবি, একটা গুলি যদি ছোঁড়া হয়, তাহলে বিশ্ব তেলের বাজারে প্রবল অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে৷ তার প্রবল ধাক্কা লাগবে আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলির অর্থনীতিতে৷

এদিকে, এই হুঁশিয়ারির পরেই পালটা জবাব ছোঁড়েন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র। আবুল ফজল শেকারচি বলেন, ইরানের দিকে একটি গুলি ছোঁড়া হলে এর আগুনে জ্বলে-পুড়ে ধ্বংস হবে আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো। তিনি আরও বলেন, ইরানের দিকে গুলি ছোড়ার অর্থ হবে গোলা-বারুদের গুদামে আগুন দেওয়া। শুধু তাই নয়, ওই আগুনে তারাই ধ্বংস হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এই অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক যুদ্ধের হুমকি দেন ট্রাম্প৷ কিন্তু তেহরানের পালটা জোশ দেখে পিছিয়ে আসেন তিনি৷ পরিবর্তে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইরানকে দুর্বল করতে মরিয়া ওয়াশিংটন৷

আমেরিকার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে তেহেরান৷ রাষ্ট্রসংঙ্ঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ওয়াসিংটন এই নির্দেশ প্রত্যাহার করক৷ তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সঙ্গে আলোচনা অসম্ভব৷