নিউইয়র্ক: দক্ষিণ চিন সাগরে চিন-আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ দিন দিন বাড়ছে। যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আমেরিকা তাঁর নৌঘাঁটি ডিয়াগো গার্সিয়াতে পারমাণবিক বোমা ফেলতে সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। এই মার্কিনি পদক্ষেপে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আমেরিকার ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড-এর তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, তিনটি বি-২ স্পিরিট স্টিলথ বোম্বার বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এটি যে কোনও চিনা পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া জানাতে মোতায়েন করা হয়েছে। প্রায় ২৯ ঘন্টা উড়ে এসে ওই বিমান হাজির হয়েছে নৌঘাঁটিতে।

২০১৬ সালের পর প্রথম এমন বোমারু বিমান পাঠিয়েছে আমেরিকা। মনে করা হচ্ছে, তাইওয়ানে চিনের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন – পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিরাট পরিকল্পনা, আগামী বছরেই সুখবর শোনাতে পারে মোদী সরকার

উন্নত স্টিলথ প্রযুক্তি সম্পন্ন বি -২ বোমারু বিমানটি শত্রু বাহিনীর র‍্যাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তাইওয়ান ও দক্ষিণ চিন সাগরের বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের প্রতি চিনের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে আমেরিকা ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় নিজেদের উপস্থিতিতে জোর দিচ্ছে আমেরিকা।

অন্যদিকে ১৬ অগস্ট চিনা পিএলএ এবং নৌবাহিনী তাইওয়ানের থেকে প্রায় ৩৪০ মাইল দূরে একটি দ্বীপপুঞ্জে লাইভ-ফায়ার ড্রিল শুরু করছে। অর্থাৎ নিজেদের দিক থেকে পদক্ষেপ নিচ্ছে দুই দেশই।

পশ্চিমা বিশ্ব মনে করে তাইওয়ান নিয়ন্ত্রিত তিনটি দ্বীপ দখল করতেই দক্ষিণ চিন সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যবর্তী কৌশলগত অঞ্চলে চিন ক্রমাগত এই সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।