ওয়াশিংটন: বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত আমেরিকা। কিন্তু সে দেশ ও নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না করোনা ভাইরস কে। সে দেশেও ইতিমধ্যে একের পর এক মানুষ মারা যাচ্ছেন ওই ভাইরাসে। সম্প্রতি জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে সামনে এসেছে এক নয়া তথ্য। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সে দেশের মারা গিয়েছে ১৪৮০ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই। যা সর্বাধিক। যে দেখে ভীত সাধারণ মানুষজন।

 এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এত অল্প সময়ের মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এতজন মারা যাননি। আর এই রিপোর্ট ভেঙ্গে দিল অতীতের সব রেকর্ড। আর ভয় ধরিয়ে দিয়েছে বাকিদের মনেও। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে। কয়েক জায়গাতে চিকিৎসার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী হাসপাতালও। কিন্তু তারপরেও এত সংখ্যক মৃত্যু দেখে মাথায় হাত প্রশাসনের।

এখনও পর্যন্ত যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে এখনও পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাইরসের আক্রমণে মারা গিয়েছেন ৭৪০০ জন।আর সংক্রমণের হার প্রায় তিন লক্ষের কাছাকাছি। প্রশাসনের তরফ থেকে আপ্রান চেষ্টা চালালেও এখনও পর্যন্ত কাজে লাগেনি কিছু। উল্টে বেড়েছে সংক্রমণের হার। আর সেটাই ভাজ ফেলছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কপালে। শুধু মৃত্যুই নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩২ হাজার জন।

ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে ঘরের বাইরে বেরতে বারন করা হয়েছে সে দেশের মানুষদের। একান্ত প্রয়োজনে বাইরে বেরতে হলে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাও। তবে পরিস্থিতি যেরকম জায়গায় গিয়েছে সেখানে দাড়িয়ে মনে করা হচ্ছে সব থেকে বেশি এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। তারপরে রয়েছে ইতালি। তবে বিশ্বজুড়ে যে হারে সংক্রমণের হার বাড়ছে তা দেখে রীতিমত আতঙ্কিত গোটা বিশ্ব।

চিন থেকে ছড়িয়ে পরা এই ভাইরাসে থমকে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে স্পেন, ফ্রান্স সহ একাধিক দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। থমকে নেই মৃতের হারও। ভারতেও থাবা বসিয়েছে এই ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত ভারতে সংক্রমিত হয়েছেন তিন হাজারের কাছাকাছি মানুষজন। পাশপাশি মারা গিয়েছেন অনেকেই। সব থেকে বেশি জটিল অবস্থা মহারাষ্ট্র, কেরল, তামিলনাড়ু সহ কয়েকটি রাজ্যতে। তবে রাজ্যর তরফ থেকেও চেষ্টা চালানো হচ্ছে এই ভাইরাস প্রতিরোধের।