ওয়াশিংটন:  গোটা বিশ্বে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস। মারণ এই ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে শুধুই এখন মৃত্যু মিছিল। ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে রসদ। বিভিন্ন দেশে যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সেই সমস্ত দেশগুলিতে ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে চিকিৎসা সামগ্রীও। কীভাবে আগামিদিনে মারণ এই ভাইরাসের মোকাবিলা করা সম্ভব তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাবড় তাবড় দেশের নেতাদের। ইতিমধ্যে মৃত্যু মিছিলে চিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে স্পেন, ইতালি। সেখানে ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিয়েছে পরিস্থিতি।

আমেরিকাতেও অসম্ভব গতিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। পাশাপাশি সে দেশে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। মার্কিন মুলুকে শুধু একদিনেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২০০ জনের। এর ফলে আমেরিকার করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯২১-এ। শুধু তাই নয়, গত ২৪ ঘন্টায় আমেরিকায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। এ নিয়ে আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬৬ হাজার ১৩২।

সংখ্যাটা এখানেই থেমে থাকবে না বলে আশঙ্কা। কারণ ইতিমধ্যে সে দেশে করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটে গিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে চলেছে। ভয়ঙ্কর এই পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্ক এবং ক্যালিফোর্নিয়াসহ ১৮টি রাজ্যে ঘরে থাকার নির্দেশ জারি করেছে সরকার।

এতে সে দেশের অন্তত অর্ধেক মানুষ সংকটে পড়েছেন ভয়ঙ্কর ভাবে। অবশ্য এত কিছুর মধ্যেও রয়েছে কিছুটা আশার আলো। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, এই মুহূর্তে নিউ ইয়র্কে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সেখানে যেভাবে করোনা মহামারির ধেয়ে চলেছিল তার গতিকে রোধ করা গিয়েছে। নিউ ইয়র্কের মেয়র অ্যান্ড্রু কিয়োমো আগেই রাস্তায় জনগণের চলাচলের ওপর একাধিক বিধি নিষেধ আরোপ করেছেন।