তেহরান:  ইরানের সঙ্গে ক্রমশ সংঘাত বাড়ছে আমেরিকার। তেল রফতানি সহ একাধিক ইস্যুতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা তেহরানের উপর বসিয়েছে আমেরিকা। শুধু তাই নয়, যাতে ইরান থেকে কেউ তেল না কেনে সেজন্যে বিশ্বের একাধিক দেশের উপরেও নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু তা উপেক্ষা করেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে বেজিং। আর এই ঘটনায় আমেরিকা মারাত্মকভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

আমেরিকার একজন শীর্ষ সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউজ বারবার চিনকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের জন্য সর্তক করছে। কিন্তু তা অগ্রাহ্য করেই বেজিং ইরানের সঙ্গে তেল কেনাবেচা অব্যাহত রেখেছে বলে দাবি ওই শীর্ষ আধিকারিক।

গতমাসে আমেরিকা চিনের পাঁচজন ব্যবসায়ী এবং ছটি সংস্থার ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর মধ্যে চিনের কস্কো শিপিং কর্পোরেশনের দুটি শাখা রয়েছে। এসব ব্যক্তি ও সংস্থানের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের অভিযোগ- তারা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছে।

যদিও ইরানের উপর আমেরিকা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাকে চিন সবসময় নাকচ করে আসছে। বেজিংয়ের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আমেরিকা জোর করে তাঁদের নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দিচ্ছে। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার অধিকার তাদের বৈধ এবং আইন সম্মত বলে দাবি বেজিংয়ের।

চিনের ওপর চাপ প্রয়োগে সফল না হতে পেরে এখন আমেরিকা বেজিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে যে, তারা জাহাজের ট্রান্সপোন্ডার বন্ধ করে রাখছে যাতে চিনের জাহাজগুলির অবস্থান নির্ণয় করা না যায়।