ওয়াশিংটনঃ একাধিক ইস্যুতে চিনের সঙ্গে সংঘাতের পথে আমেরিকা। তবে করোনার মারণ ছোবলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি আমেরিকাতে। ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আক্রান্তের সঙ্গেই সে দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। আর এই অবস্থার জন্যে সরাসরি চিনকে দায়ি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনের উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছে মারণ ভাইরাস। এমনটাই বিশ্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

যদিও ট্রাম্পের এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং। পালটা আমেরিকাকে আক্রমণ শানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশ দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যা প্রতিদিন আরও বড় আকার নিচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে কঠিন সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের। চিন থেকে আমেরিকায় বিমান আসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

আগামী ১৬ জুন থেকে আমেরিকার উদ্দেশ্যে ও আমেরিকা থেকে চারটি চিনা এয়ারলাইন্সের যাত্রীবিমানের আসা যাওয়া স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন পরিবহণ দফতর। মার্কিন প্রশাসনের কঠিন এই পদক্ষেপ আমেরিকা এবং চিনের মধ্যে বাণিজ্য ও ভ্রমণ সংক্রান্ত উত্তেজনাকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা।

জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে চিনে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ও ডেল্টা এয়ারলাইন্সের বিমান পরিষেবা ফের শুরু করতে চায় চিন। আর তার পাল্টা এমন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের। চলতি বছরের গোড়ায় চিনের উহান প্রদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হু হু করে ছড়াতে শুরু করায় ওই দুটি বিমান সংস্থার পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছিল। কিন্তু চিনে নতুন করে আর সংক্রমণ নেই। আর সেই কারণে ফের বিমান পরিষেবা শুরু করতে চায় বেজিং। কিন্তু আমেরিকা তা চায় না।

মার্কিন পরিবহণ দফতরের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, দুদেশের মধ্যে পরস্পরের বিমান চলাচল সংক্রান্ত যে বোঝাপড়া বহাল রয়েছে, চিন তা লঙ্ঘন করছে। আরও জানানো হয়েছে যে, মার্কিন পরিবহণ দফতর চিনের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রেখে যাবে যাতে মার্কিন ও চিনা, উভয় বিমান সংস্থাই তাদের দ্বিপাক্ষিক অধিকারগুলি পূর্ণ মাত্রায় প্রয়োগ করতে পারে। তবে তার মধ্যেই আমরা ততগুলি নির্ধারিত চিনা যাত্রীবিমানকে ঢুকতে দেব, যতগুলি চিন সরকার আমাদের বিমানকে অনুমতি দেবে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প