মুম্বই : স্করপিও থেকে ২০টি জিলেটিন স্টিক মেলা গোটা ঘটনার ট্রেলার মাত্র। এরপর আরও বড়ও নাশকতার ছক রয়েছে। এক হুমকি বার্তায় এমনই জানিয়েছে জইশ-উল-হিন্দ। শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে থেকে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি মেলার যে ঘটনা ঘটেছে, তার দায় স্বীকার করেছে এই নিষিদ্ধ সংগঠন। টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে হুমকি বার্তা প্রকাশ করেছে জইশ।

টেলিগ্রাম বার্তায় জইশ জানিয়েছে যে বন্ধু আম্বানির বাড়ির সামনে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি রাখার দুঃসাহসিক কাজ করেছে, সে নিরাপদে নিজের বাড়ি পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু এটা একটা ট্রেলার মাত্র, বড় ছক আসছে। এর পাশাপাশি মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে বিটকয়েনের মাধ্যমে অর্থের বড় অঙ্ক দাবি করেছে জইশ উল হিন্দ। তাদের বার্তায় পুলিশে হুমকি দিয়ে দাবি করা হয়েছে, যদি কেউ তাদের ধরার চেষ্টা করে, তবে ভুল করবে।

হুমকি বার্তায় জইশ লিখেছে এর পরের বার বিস্ফোরক ভর্তি এসইউভি তোমার সন্তানদের গাড়ির সামনে থাকবে, যদি দাবি মতো টাকা না দেওয়া হয়। এরপর কি করতে হবে, সেটা আম্বানিদের ভালো করেই জানা রয়েছে। উল্লেখ্য এই সংগঠনই দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ঘটায়। উল্লেখ্য, আম্বানি প্রাসাদ অ্যান্টিলিয়ার সামনে মেলে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি। একটি পরিত্যক্ত গাড়িতে ওই এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় পুলিশে। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই ঘটনায় রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একটি এসএউভিকে আম্বানিদের বাড়ির খুব কাছেই দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মুম্বই পুলিশ জানায়, সঙ্গে সঙ্গে বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। পেড্ডার রোডের ওপর ওই গাড়িটিকে তল্লাশি শুরু করে বম স্কোয়াড। দেখা যায় ওই পরিত্যক্ত গাড়িটিতে ২০টি জিলেটিন স্টিক রয়েছে। গামদেবী থানার প্রচুর পুলিশ কর্মী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেন। ডেকে নেওয়া হয় ডগ স্কোয়াডকেও। ২০টি জিলেটিন স্টিক পাওয়ার খবর স্বীকার করে মুম্বই পুলিশ। তবে এরই সাথে বিবৃতি জারি করে মুম্বই পুলিশের পিআরও জানান, শুধু জিলেটিন স্টিকই মিলেছে, আর কোনও বিস্ফোরক মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।