নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে লকডাউনে যখন বেকারত্ব বাড়ছে, তখন কিছুটা হলেও সুখবর শোনাল ই কমার্স সংস্থা আমাজন। ভারতে ৫০,০০০ লোক নিয়োগের জথা জানাল এই সংস্থা। সংস্থার একটি ব্লগ পোস্টে একথা জানানো হয়েছে।

তবে অস্থায়ীভাবে আপাতত এই লোক নিয়োগ করা হবে। মূলত ডেলিভারি দেওয়ার জন্য এই লোক নেওয়া হবে। অনলাইনে বহু মানুষ কেনাকাটা করছেন এই সময়। তাই সেই চাহিদা পূরণ করার জন্যই আমাজন এই লোক নিয়োগের কথা ভেবেছে।

সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে পার্ট-টাইম চাকরি, ফ্লেক্সিবল কাজ করার সুযোগ।

আমাজন দাবি করেছে, করোনা পরিস্থিতিতে কাজের ধরনে অনেক পরিবর্তন এনেছে তারা। মুখ ঢাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রত্যেকদিন তাপমাত্রা চেক করা হচ্ছে অফিসগুলোতে। সব অফিস ঘন ঘন পরিস্কার করা হচ্ছে। এছাড়া বিল্ডিংগুলোতে বারবার হাত পরিস্কার করার বন্দোবস্ত থাকছে।

আমাজনের ভিপি অখিল সাক্সেনা জানিয়েছেন, এই মহামারীর পরিস্থিতিতে এই নিয়োগের ফলে অনেকেই কাজ পাবেন। নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুইগি, জোমাটোকে প্রতিযোগিতায় ফেলে ফুড ডেলিভারি ব্যবসাও শুরু করেছে আমাজন। আপাতত বেঙ্গালুরুতে এই পরিষেবা শুরু হয়েছে।

লকডাউনের পর কিছুদিন আগে প্রথম পুরোদমে এবার কাজ শুরু করেছে ই-কমার্স সাইটগুলি। ফ্লিপকার্ট, আমাজন, স্ন্যাপডিল তো বটেই, এছাড়াও নায়কা, লেন্সকার্টের মতো সঙ্গস্থাগুলিও শুরু করছে ব্যবসা।

দেশের শুধুমাত্র কন্টেইনমেন্ট এলাকা ছাড়া সব রেড, গ্রিণ ও অরেঞ্জ জোনে দেওয়া হবে সব পরিষেবা। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য তো বটেই বাকি অন্যান্য দ্রব্যগুলিও সরবরাহ করবে ই-কমার্স সঙ্গস্থাগুলি।

চতুর্থ দফার লকডাউনের আগে অবধি সরকার মনোনীত সবুজ এবং কমলা জোনগুলিতে স্মার্টফোন এবং ইলেকট্রনিক্সের মতো অপ্রয়োজনীয় আইটেমগুলি বিক্রয় করতে পারত। রেড জোনে সরবরাহ করা যেত শুধুমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য খাবার ও মুদি দ্রব্য। কেন্দ্রের তরফে সর্বশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, অনলাইন ব্যবসার ব্যাপারে রাজ্যগুলি চূড়ান্ত নির্ণয় ঠিক করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।