ব্রাসিলিয়া: আবার পুড়তে শুরু করেছে আমাজন অরণ্য। প্রাকৃতিক দাবানল নাকি, এখানকার অতুলনীয় খনিজ সম্পদের উপর বহুজাতিক সংস্থাগুলির লোলুপ দৃষ্টির কারণে অগ্নিকান্ড তা নিয়ে বিতর্ক। পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ রক্ষা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা সংগঠনগুলি।

আমাজনের আগুনের প্রভাব এক দশকের মধ্যে সর্বাধিক উদ্বেগজনক। এমনই মনে করছে গ্রিনপিস। ২০১৯ সালের অগস্টে আমাজনে দাবানল ভয়াবহ হয়। গ্রিনপিস জানিয়েছে, এবছর অগস্টের শুরুতেই আমাজনের ১০ হাজার ১৩৬টি স্থানে আগুন ধরেছে। এটি গত বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি।

গ্রিনপিসের অভিযোগ, আমাজনের পরিবেশ রক্ষা নিয়ে ব্রাজিল সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে ঘাটতি এমন আগুন ছড়ানোর কারণ। শুধু ব্রাজিলেই নয়, আমাজন নদীর দুই দিকে ৯টি দেশে ছড়িয়ে এই বনভূমি।

তবে আমাজনের ৬০ শতাংশ রয়েছে ব্রাজিলে। আর ১৩ শতাংশ পেরুতে ছড়িয়ে। বনভূমির বাকি অংশ কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানার অন্তর্ভুক্ত।

বায়ুমণ্ডলে থাকা অক্সিজেনের ২০ শতাংশেরই উৎস আমাজন। গ্রিনপিসের অভিযোগ, আমাজন রক্ষা করতে ব্রাজিল সরকার সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে না।

আমাজন বনাঞ্চলের দাবানলের ছবি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। এর পরেই বিতর্ক প্রবল আকার নেয়।

বলসোনারো এর আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জারি করা লকডাউন নিয়ম মানতে চাননি। হু বনাম ব্রাজিল সরকারের সংঘাত প্রবল আকার নেয়। করোনা ভয়াবহ আকার নিয়েছে ব্রাজিলে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও