ঢাকা: অনলাইন বইমেলায় রাজি নন প্রকাশকরা। আর করোনা পরিস্থিতির জেরে জনসমাগমে উদ্বেগ সরকারের। এই টানাপোড়েনে পিছিয়ে গেল ঢাকার অমর একুশে গ্রন্থমেলা। আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে না বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অন্যতম বইমেলা। আগেই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা।

কলকাতা বইমেলা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পরেই প্রশ্ন উঠেছিল বাংলাদেশের অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজন নিয়ে। ঢাকা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে আগামী মার্চেও মেলার আয়োজন সম্ভব হবে কি-না তাও স্পষ্ট নয়।

সিরাজী বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রক বাংলা একাডেমিকে জানিয়েছে- ফেব্রুয়ারিতে মেলার আয়োজন সম্ভব নয়। তবে কবে নাগাদ মেলার আয়োজন করা হবে তা কিছু জানায়নি। সংস্কৃতি মন্ত্রকের অনুমোদন ছাড়া আমি অগ্রিম কিছুই বলতে পারবো না। তবে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে মেলা হচ্ছে না।

বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজণশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারিতে মেলা হচ্ছে না এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে বাংলা একাডেমি অফিসিয়ালি আমাদেরকে কিছুই জানায়নি। সংস্কৃতি মন্ত্রকের অনুমোদন ছাড়া বইমেলার আয়োজন সম্ভব নয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাংলাদেশে রয়েছে। সুস্থতার হার বাড়লেও, মৃত্যু হচ্ছে এখনও। টিকা দেওয়া শুরু হয়নি। আর করোনার নতুন স্টেনের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ডোমিটার ও বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, রবিবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষের বেশি। মৃতের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় জনসমাগম থেকে সংক্রমণের হার বাড়তে পারে এমনই আশঙ্কা প্রবল।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষায় যে আন্দোলন হয়েছিল তাতে ততকালীন পাকিস্তান সরকারের পুলিশ গুলি চালায়। শহিদদের স্মরণে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে। একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটি ঘিরে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই ঢাকায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে ১৯৭২ সাল থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.