অন্ধকারে ডুবে এই শহর

আলাস্কাঃ  আগামী দুই মাস পর্যন্ত সূর্যের আলো পড়বে না আলাস্কার এক শহরে। উৎকিয়াগভিক নামের ওই শহরে গত বৃহস্পতিবার শেষ সূর্যের দেখা পেয়েছিলেন নাগরিকরা। ব্যারো নামে পরিচিত এই শহরের অধিবাসীরা। ওইদিন গুলোতে তারা বার্ষিক আঁধারে জীবন যাপন করবেন।

ওই সময়টা পোলার নাইট বা মেরু রাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন। মার্কিন আবহাওয়াবিদ এলিসন চিঞ্চার বলেন, তবে এটা এই এলাকার জন্য কোনও বিস্ময়কর ঘটনা নয়। আগামী ২২ জানুয়ারিতে স্বাভাবিকভাবে উঠবে সূর্য।

প্রতি বছরই শীতকালে দু’মাসের জন্য সূর্য এখানকার আকাশ থেকে ছুটি নেয়। আসলে পৃথিবীর একেবারে প্রান্তদেশে অবস্থানের কারণেই এমনটা ঘটে। তাহলে কি এই দু’মাসেরও বেশি সময় অন্ধকারে ডুবে থাকবে শহরটা? না, তেমনটা হবে না। এই সময়কালে প্রতিদিনই ভোর হবে নিয়ম করে।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে নয়, আলো থাকবে কয়েক ঘণ্টা। তারপর তা কমে গিয়ে অন্ধকার নেমে আসবে। কিন্তু আলো থাকার সময়ও দিগন্তের উপরে মুখ তুলতে দেখা যাবে না সূর্যকে। সে থাকবে অদৃশ্যই। এ বিষয়ে এলিসন চিঞ্চার বলেন, ‘ওই সময়টা আসলে সূর্য ওঠার আগের সময়কার মতো হয় অথবা সূর্যোদয়ের মুহূর্তের মতই মনে হয়। ’ গত কয়েকদিন ধরেই এখানকার আকাশ ছিল মেঘলা।

অবশেষে বুধবারই আচমকা আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। আলাস্কার ওই শহরের এক বাসিন্দা ইনস্টাগ্রামে সেকথা জানিয়ে লেখেন, ‘মেঘ সরে গিয়ে সুযোগ করে দিল আমাদের উজ্জ্বল প্রিয় এই বন্ধুটিকে বিদায় জানানোর।’

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Kirsten Alburg (@kirsten_alburg)

সেই সঙ্গে তিনি শেয়ারও করেছেন একটি চমৎকার ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমের আকাশে ফুটে ওঠা অস্তরাগ। সেই মুহূর্তের বিষণ্ণতাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বিষণ্ণ সেই তরুণী লিখেছেন, ‘আমি চুপ করে বসে আছি তুষারাচ্ছন্ন এই তুন্দ্রা অঞ্চলে। চোখ জলে ভরে উঠছে। এটা লিখতে লিখতে অনুভব করছি আগামী শান্তিপূর্ণ অন্ধকারময় দিনগুলিকেও। শুরু হচ্ছে মেরুরাত্রি।’’

অন্ধকারে ডুবে এই শহর

আলাস্কার এই শহরের বাসিন্দারা অবশ্য আরেকটি অভিজ্ঞতারও শরিক। এখন যেমন দু’মাস সূর্যের দেখা মিলবে না, তেমনই গ্রীষ্মকালীন দুই মাস তাদের আকাশে সারাক্ষণই থেকে যায় সূর্য। ২৪ ঘণ্টার পুরো সময়ে তখন রাত বলে কিছুই থাকে না এখানে!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।