কলকাতা: তৃণমূল সরকারের বাজার থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ এক লক্ষ কোটি টাকা ছাড়াল৷  ২৫জানুয়ারি ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার৷ রিজার্ভ ব্যাংক সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে৷  এরফলে একদিকে চলতি আর্থিক বছরে বাজার থেকে নেওয়া রাজ্য সরকারের ঋণের অংক পৌঁছে গিয়েছে ১৫,৮০০ কোটি টাকায় অন্যদিকে ২০১১ সালে মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর থেকে  ২০১৬ সালে জানুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া বর্তমান রাজ্য সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১,০০,০৪৬ কোটি টাকা৷এর আগে ১২ জানুয়ারি রাজ্য সরকার বাজার থেকে ঋণ নিয়েছিল এক হাজার কোটি টাকা অর্থাৎ নতুন বছর পড়তে না পড়তেই দু‘বার ঋণ নিয়ে নিল এই সরকার৷ 
প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার পূর্ববর্তী বাম সরকারকে দোষারোপ করে থাকেন তাদের আমলে নেওয়া ঋণের বোঝায় দায়  সামলাতে হচ্ছে বলে৷ বাম জমানায় নেওয়া ঋণের জন্য সুদ মেটাতে গিয়ে এমনই হাড়ির হাল যে রাজ্যে উন্নয়নের কাজ করতে গিয়ে হিমশিম থেকে হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে বলে প্রায়শই অভিযোগ করছেন শাসকদলের নেতারা৷শুধু তাই নয় ওই ঋণ ও সুদের বোঝা থেকে অব্যাহতি চেয়ে দিল্লিতে ইউপিএ এবং এনডিএ দুই আমলেই দরবার করেছেন মমতা৷ অথচ  পাঁচ বছরের কম সময়ে এই তৃণমূল সরকারই এক লক্ষ কোটি টাকা বাজার থেকে ঋণ নিয়ে ফেলায় ভিন্ন প্রশ্ন তুলছেন রাজ্যের শিল্প ও রাজনৈতিকমহল৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।