স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এখনও অনেক মন্ডপে ঠাকুর আসেনি৷ তাতে কি? কিন্তু আবার অনেক মন্ডপে প্রতিমার উদ্বোধন তো হয়ে গিয়েছে৷ আগামীকাল গান্ধী জয়ন্তীর ছুটি ৷ ফলে তৃতীয়ার রাতেই অনেকে বেড়িয়ে পড়েছেন ঠাকুর দেখতে৷ ফলে ইতিমধ্যেই কলকাতার মন্ডপে মন্ডপে মানুষের ভিড়৷ প্রতি বছরই উৎসব যেন ক্রমশ এগিয়ে আসছে৷ মহালয়ার আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কিছু পুজোর উদ্বোধন করে ফেলেছেন৷

মঙ্গলবার সন্ধ্যা হতেই কলকাতার বেশ কিছু মন্ডপে মানুষের ভিড় জমতে থাকে৷ বিশেষ করে উত্তর কলকাতার পুজো প্যান্ডেলে৷ তবে পিছিয়ে নেই দক্ষিন কলকাতাও৷ শ্রীভূমিতে ছিল মানুষের ঢল৷ এক সময় বোধনের আগে পুজো প্যান্ডেলে ভিড় জমতো না৷ সপ্তমী থেকে শুরু হতো জনজোয়ার। তবে বেশ কিছুকাল যাবৎ পঞ্চমীর গভীর রাতে অনেকে গাড়ি নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরোতেন৷ আর এখনতো প্রথমা থেকেই পুজো শুরু হয়ে যাচ্ছে শহরে৷ দ্বিতীয়া, তৃতীয়া থেকেই মানুষের বেশ ভিড় জমছে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে৷

গত শুক্রবার অর্থাৎ মহালয়ার আগেই অতীত ঘোষের পুজো বলে পরিচিত হাতিবাগান সার্বজনীনের মন্ডপ উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তার পরে যান চালতাবাগানে৷ সেখানে ফিতে কাটার পর মুখ্যমন্ত্রী যান গড়িয়াহাটে হিন্দুস্তান ক্লাবের পুজোয়৷ এই পুজো রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিম ভট্টাচার্যের বলে পরিচিত৷ সেখানে গিয়ে চন্দ্রিমাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পর সভামঞ্চ থেকে নিজেই বলেন,‘‘চন্দ্রিমাকে এবারে বাদ করে দিয়েছিলাম। আমার প্রোগ্রাম ছিল। আগের বার শ্রীভূমি যেতাম মহালয়ার আগের দিন। এবার সুজিতকে বলেছি, হবে না। চন্দ্রিমা বলল, দিদি আমারটা কেন বাদ হবে।”

তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবাসরীয় পুজো উদ্বোধন করলেন বেহালা নতুন দল, অজেয় সংহতি,বড়িশা ক্লাব থেকে বোসপুকুর তালবাগান, ৪১ পল্লী, বোসপুকুর শীতলামন্দির ও ২১পল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসবের। তিনি প্রথমার পুণ্যলগ্নে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।