কলকাতাঃ ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত তথা ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রথিকৃৎ মুজফফর আহমেদ। যিনি বহু মানুষের কাছে কাকাবাবু বলেই পরিচিত। এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এক সময় কাজী নজরুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে পত্রিকা সম্পাদনার কাজও করছেন।

মুজাফফর আহমেদের জন্ম ১৮৮৯ সালের ৫ আগস্ট নোয়াখালী জেলার সন্দ্বীপে।বঙ্গবাসী কলেজে কলা শাখায় ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র থাকাকালীন মুজাফ্ফর আহমেদ রাইটার্স বিল্ডিং-এর ছাপাখানার চাকরিতে যোগ দেন। এরপর তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদক হিসেবে কাজ করেন। একই সময়ে তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির সহ-সম্পাদক ছিলেন।

১৯১৬ সাল থেকে তিনি রাজনৈতিক মিটিং-মিছিলে যোগ দিতে শুরু করেন এবং ১৯২০ সালের শুরুতে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে আবার ১৯২০ সালের ১২ জুলাই মুজাফ্ফর আহমেদ নবযুগ নামক এক পত্রিকায় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ওই পত্রিকার অপর যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।

এই পত্রিকাটি প্রথমে সান্ধ্য পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হতে শুরু করে। পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন ফজলুল হক। মুজফফর আহমেদ এই পত্রিকায় কর্মজীবী মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ফিচার লিখতেন। ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে এই পত্রিকায় অনেক কবিতাও ছাপা হয়েছিল।

ফলে এক পর্যায়ে ব্রিটিশ সরকার এ পত্রিকার জামানত বাজেয়াপ্ত করে ও পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে অবশ্য ফজলুল হকের চেষ্টায় পত্রিকাটি আবার প্রকাশিত হতে থাকে। কিন্তু আবার তার সঙ্গে নজরুল এবং মুজাফফর আহমেদের মতবিরোধ হয়। তার ফলে তখন নজরুল এবং মুজফফর আহমেদ ওই পত্রিকাটি ছেড়ে দেন।

তারা পদত্যাগ করায় পত্রিকাটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। তবে ১৯৪২ সালে ফজলুল হক তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর উদ্যোগে এবং নজরুলের সম্পাদনায় পুনরায় পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই সময় কাজী নজরুল ইসলাম দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে তখন খুলনার মাওলানা আহমদ আলী সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই সময় দুবছর পত্রিকাটি চালু থাকার পর পত্রিকাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।