নয়াদিল্লি: তাঁত শিল্পের নিযুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ কর্মীর আয় প্রতিমাসে ৫০০০ টাকার কম। চতুর্থ অল ইন্ডিয়া হ্যান্ডলুম সেন্সাস ২০১৯-২০ এমন কথাই জানাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বস্ত্রশিল্পমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি রাজ্যসভায় লিখিত জবাবে জানিয়েছে, তাত শিল্পে নিযুক্ত মোট কর্মী সংখ্যা ৩১.৪ লক্ষ।

এই ক্ষেত্রে শেষ সমীক্ষা করা হয়েছিল ২০০৯-১০ সালে। কর্মী সংখ্যা তখনকার ২৭.৮ লক্ষ থেকে বেড়ে এখন ৩১.৪ লক্ষ হয়েছে। ২০০৯-১০ সালে কর্মীদের গড় আয় ছিল মাসে ৩০৪২ টাকা। ধরা হয়েছিল ৯৯ শতাংশ তাঁতির আয় মাসে ৫০০০ টাকার কম। মাত্র ১.২ শতাংশ হস্তশিল্পের কর্মী আয় ২০,০০০ টাকার উপর যা সর্বোচ্চ আয়ের স্তর।

যখন জানতে চাওয়া হয় সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে এই ক্ষেত্রকে তুলে ধরতে তারই প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প চালু করা হয়েছে এই ক্ষেত্রটির বৃদ্ধির কথা ভেবে। যার মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, কম্প্রিহেনসিভ হ্যান্ডলুম ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট স্কিম, হ্যান্ডলুম উইভার কম্প্রিহেনসিভ ওয়েলফেয়ার স্কিম এবং ইয়ার্ন সাপ্লাই স্কিম।

সরকার আর্থিক সহায়তা করছে কাঁচামাল, তাত কেনা , নকশা করা, পণ্য বৈচিত্র্যকরণে। তাছাড়া তাঁতিদের দক্ষতা বাড়াতে, বিপণন, কম সুদে ঋণ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও সহায়তা করা হয়েছে। তাছাড়া ই-কমার্স এর মাধ্যমে তাঁত বস্ত্র বিক্রি তথা তুলে ধরতে সহায়তা করছে সরকার।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।