প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ফের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ নৈহাটির বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর গণেশ দাসের গাড়িতে পর পর বোমাবাজির অভিযোগ উঠল।

ওই বিজেপি নেতার গাড়িতে অন্তত ১২ টি বোমা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি।

এই বিষয়ে বিজেপি নেতা গণেশ দাসের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুনের চক্রান্ত করেছে। তাঁকে খুনের উদ্দেশ্যেই রাস্তার উপরে রাখা তার গাড়িতে পর পর বোমা মারা হয়। এদিকে শনিবার গভীর রাতে এই ঘটনার পর বীজপুর থানার পুলিশ গণেশ দাসের বাড়িতে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। গোটা ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বীজপুর থানার হালিশহর এলাকায়।

ঘটনার সূত্রপাত, শনিবার গভীর রাতে। হালিশহর বালিভাড়া এলাকায় দুজন বিজেপি কর্মী তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, এই খবর পেয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তাদের বাড়িতে যান বিজেপি নেতা গণেশ দাস। এরপর আক্রান্ত দুই বিজেপি কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে গভীর রাতেই গণেশ দাস পৌঁছান বীজপুর থানায়। ওই ২ বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর নিজের গাড়িতেই বীজপুর থানা থেকে হালিশহরে রাস্তা দিয়ে যখন বাড়ি ফিরছিলেন গণেশ বাবু।

অভিযোগ, মধ্যরাতে সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা ছুঁড়তে শুরু করে দুষ্কৃতীরা । বোমার আঘাতে ওই বিজেপি নেতার গাড়িটি বিকল হয়ে যায়।

গণেশ দাসের দাবি, কোনওরকমে রাতের অন্ধকারে প্রাণ বাঁচান তিনি । এদিকে এই ঘটনায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন হালিশহর পুরসভার পুর প্রশাসক রাজু সাহানি।

তিনি বলেন, “আমি শুনলাম ওই বিজেপি নেতার গাড়িতে কেউ বোমা মেরেছে। বিষয়টা আমি জানি না। উনারা তৃণমূলের নাম বদনাম করার চক্রান্ত করছে। ২৩ মে’র পর এই অঞ্চল কারা অশান্ত করে রেখেছে সেটা সবাই জানে। আর এই ঘটনা কি ঘটেছে প্রশাসন নিশ্চই তদন্ত করে বের করবে। তৃণমূলের কোনও যোগ নেই এই ঘটনায়।”

যদিও বীজপুর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও