স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : ভোটের মুখে এবার ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে মালদহের গাজোলের আলাল অঞ্চল যুব সভাপতি সহ ১২ জন সদস্যর পদত্যাগ।

তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ঘুরে ঘুরে তোলাবাজি করতে হবে। নির্দেশ ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতির। আর এরই প্রতিবাদে গণ পদত্যাগ এলাকার যুব তৃণমূল নেতাদের। আলোচনার সমস্যার সমাধান করা হবে। পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির।

মালদহের গাজলের যুব তৃণমূল সভাপতি রাজকুমার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন গাজলের আলাল এলাকার যুব তৃণমূল নেতৃত্ব।

তাদের অভিযোগ রাজকুমার সরকার গাজোলের এক নম্বর তোলাবাজ। মাঝে মাঝে সভাপতি তাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন জায়গার রেশন ডিলার, জমির মালিক ইঁট ভাটার মালিকের কাছ থেকে তোলা নিয়ে আসতে বলে। আর যা করতে চাইনা। দল করতে হলে তোলবাজি করতে পারবে না।

পদত্যাগকারী আলাল অঞ্চলের যুব সভাপতি তৌসিফ জামান জানান, ব্লক যুব সভাপতি রাজকুমার সরকার যুব তৃণমূল কর্মীদের নির্দেশ জারি করেছে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তোলাবাজি করে তাকে টাকা তুলে দিতে হবে। কিন্তু তা করতে অস্বীকার দলের নেতৃত্বে একাংশের। প্রতিবাদে ১২জন যুব তৃণমূল নেতা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। আমরা মাদার তৃণমূলের হয়ে কাজ করবো।

গোটা ঘটনা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তার বিরুদ্ধে এধরনের অভিযোগ নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন অভিযুক্ত নেতা রাজকুমার সরকার। সে সংবাদর মুখোমুখি হতে চাননি।

গাজোলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মালদহ জেলা তৃণমূলের কো-অডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,গাজোল এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় যুব সভাপতি বিরুক্ত করছে। এমনকি তার সঙ্গে কাজ করবে না বলো তারা পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছে। মাদারের ব্লক সভাপতির সঙ্গে বসে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে। সমস্যা না মিটলে ব্লক যুব সভাপতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্যকে জানিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দল গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।ওই যুব তৃণমূলের সভাপতি যদি দোষ প্রমাণিত হয় দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

গোটা ঘটনা নিয়ে আসড়ে নেমেছে বিজেপি। বিজেপির মালদহ জেলা সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,কাটমানী তোলাবাজির দলে পরিণত হয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল দলটাই তোলাবাজ দের দলে পরিণত হয়েছে। উপর থেকে নিচ সব নেতৃত্বে প্রায় এক এক জন বড় ধরনের তোলাবাজ। যে সকল যুবকরা সুস্থ রাজনীতি করতে চান তারা বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন এখানে কাজ করার সুযোগ পাবেন, সম্মান পাবেন। আর কয়েক দিনের অপেক্ষা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।