ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যুব কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থী মহম্মদ সাদাব খানের বিরুদ্ধে বয়স ভাঁড়িয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠল দলের অন্দরে৷ ওই প্রার্থী প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর সমর্থক বলে খবর৷ ইতিমধ্যেই এই অভিযোগকে ইস্যু করে মাঠে নেমে পড়েছে বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের অনুগামীরা৷ উল্লেখ্য, এবার যুব সভাপতি পদে সাদাব খানের মূল প্রতিদ্বন্দী সোমেন-পুত্র রোহন মিত্র৷

দলের নিয়ম বলছে, যুব কংগ্রেসের সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিতে হবে ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে৷ সাদাবের মনোনয়নে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী জন্ম ১৯৮৫ সালে। অথচ অভিযোগকারীরা পাসপোর্টের যে প্রতিলিপি দেখাচ্ছেন, সেখানে তাঁর জন্ম সাল লেখা রয়েছে ১৯৮১। এমনকী, বার্থ সার্টিফিকেট বা ভোটার আই কার্ডের প্রতিলিপিতেও এরকম বয়স দেখা যাচ্ছে তাঁর। এটা দলের হাইকমান্ডের কাছে এবং নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তিদের কাছে অনলাইনে অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন অন্য প্রার্থীরা।

মালদহের ছাত্র পরিষদের বর্তমান সভাপতি বাবুল শেখই সাদাবের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন৷ তিনি বলেন, কংগ্রেসকে যাঁরা ভালোবাসেন বা কংগ্রেস যাঁরা করেন, তাঁরা কেউই আমার শত্রু নন। কিন্তু কোনওরকম জালিয়াতি তো মেনে নেওয়া যায় না। তাই এটা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি।

বাবুলের অভিযোগ, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তিনি এ বিষয় সোচ্চার হলে তাঁকে এক ব্যক্তি অধীর চৌধুরীর লোক বলে পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন৷ সেই ভয়েস ক্লিপও প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷

তবে যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই সাদাব খান পুরোপুরি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন৷ তাঁর বক্তব্য, এসব গুজব৷ তিনি যথাযথ প্রমাণ মনোনয়ন এবং ইন্টারভিউয়ের সময় দিয়েছে৷তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চলছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন সাদাব৷ কিন্তু যে পরিচয়পত্রগুলো সামনে এসেছে সেগুলো কী তাহলে ভুয়ো? যদিও তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তিনি দিতে পারেননি৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ