ফাইল চিত্র৷

স্টাফ রিপোর্টার,বারাকপুর: বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজি।ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়াতে। দুষ্কৃতীরা মুখবাঁধা অবস্থায় বোমা ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে জগদ্দল থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১০ থেকে ১২ জন যুবক মুখঢাকা অবস্থায় সাংসদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে থাকে। প্রায় ২২ থেকে ২৫ টি বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি ছোঁড়া বোমা দেখে আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে থাকেন এলাকার বাসিন্দারা এবং পথচলতি মানুষজন। সেই সময় অর্জুন সিং এর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফের জওয়ানরা ওই দুষ্কৃতীদের দিকে ধাওয়া করলে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই দুষ্কৃতীরা বোমা ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়।

ভরসন্ধ্যায় এই বোমা বাজির ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে ভাটপাড়া এলাকায়। শুধু তাই নয়, সাংসদের বাড়ির সামনে এই বোমাবাজির ঘটনার সম্পূর্ণ চিত্র ধরা পরেছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। এই ঘটনা তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংসদ অর্জুন সিং।

এদিন বিজেপি সাংসদ আরও অভিযোগ করে বলেন, “আমি আজ দলীয় কর্মসূচী সেরে বাড়ি ফেরার সময় কিছু ছেলেকে সন্দেহ জনক ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখছিলাম। আমার বাড়ি আসার কিছু পরেই আমি আমার ঘর থেকে আমার দেহ রক্ষীদের ওই সন্দেহ জনক বিষয়টি বলতে নিচে নামি আর ঠিক তখনি এই বোমা বাজির ঘটনা শুরু হয়।

তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাকে প্রানে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। তাই বারে বারে আমাকে আক্রমণ করছে। আজ দেহরক্ষী এবং সিআইএসএফরা ওই দুষ্কৃতীদের ধাওয়া না করলে আমাকে মেরে ফেলতো ওরা।এই ঘটনার যখন ঘটছিলো তখন কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ কিন্তু পুলিশ সেই সময় এগিয়ে আসেনি। পুলিশ যদি আসতো তাহলে ওই দুষ্কৃতীরা পালাতে পারতো না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।