বাঁকুড়া : ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেই বিজেপির তরফে লাগানো ফেস্টুন ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো বাঁকুড়ার সোনামুখী পুর এলাকায়। শুক্রবার রাতে কে বা কারা ওই ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। যদিও বিজেপির তরফে ওই ঘটনায় শাসক দলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হলেও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। ফলে ভোটের মুখে বিজেপি তৃণমূল তরজা তুঙ্গে ।

বিজেপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সোনামুখী পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অমলনগর এলাকায় ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁদের কর্মীরা ‘আর নয় অন্যায়’ ও ‘এবার ২০০ পার’ লেখা বেশ কিছু ফেস্টুন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু রাতের অন্ধকারে সেই ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়। আর এই ঘটনায় তৃণমূল জড়িত বলে গেরুয়া শিবিরের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই বিষয়ে সোনামুখীর বিধানসভার বিজেপির কনভেনার তাপস মিত্র বলেন , বিজেপির ফেস্টুন ছিঁড়ে দিয়ে ভাবছে ওরা জিতে যাবে, কিন্তু তা কোনওদিনই সম্ভব নয় । তৃণমূল যেভাবে বিজেপির ফেস্টুন ছিঁড়ছে, আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে এটা মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না। বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ ওদের আবারও শিক্ষা দেবে বলে তিনি দাবি করেন ।

অন্যদিকে বিজেপির তোলা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও কর্মী জড়িত নেই । সোনামুখী পুরশহরের তৃণমূল নেতা সজল সাহা বলেন , এটা বিজেপির অন্তর্কলহ নতুন ও পুরনো বিজেপি কর্মীদের দ্বন্দ্বের ফল। তাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলেও তিনি দাবি করেন ।

অন্যদিকে,পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় বিধানসভা ভোট ঘোষণার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই প্রেক্ষাপটে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একদফায় ভোট হবে।’ একজন রাজনৈতিক দলের নেতা হয়ে কীভাবে নির্বাচনের মুখে এমন মন্তব্য করতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.