স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আষাঢ়ে আসার নাম নেই বর্ষার মৌসুমি বায়ুর। প্রচণ্ড দুর্বল আষাঢ়ে মেঘে কলকাতা ও শহরতলির অবস্থা আরও শোচনীয় হতে চলেছে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

কবে যে চাহিদা মতো বৃষ্টি হবে তা বলতে পারছে না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উলটে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি বেশী থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

কলকাতার সকালের তাপমাত্রা দেখলেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। বুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশী। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯২ সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

আষাঢ় মাসেও মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ছিল ৩৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশী। বৃষ্টির খাতায় প্রাপ্তি বড় শূন্য। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা থেকে বিশেষ স্বস্তি মিলবে না।

বেশিরভাগ সময় অস্বস্তিকর গরমে গলদঘর্ম হতে হবে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে কিছু সময়ের জন্য নিম্নচাপের কারণে সক্রিয় হতে পারে বর্ষা। সেটাও বিশেষ আশাব্যাঞ্জক নয়।

উল্টোদিকে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। ২৬ জুন জন্য আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের জন্য। এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী (৭০-২০০ মিলিমিটার) বৃষ্টি হতে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ির দুএকটি জায়গায় এর থেকেও বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

হাওয়া অফিসের সতর্কতা হিমালয়ের পাদদেশের জেলাগুলিতে অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে (৭০-১১০ মিলিমিটার) মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের জন্য। জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।

২৮ জুন অর্থাৎ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে ধস নামার আশঙ্কায় সিকিম।