কলকাতা : করোনা পরিস্থিতির বাড়বাড়ন্ত। সেদিকে নজর রেখে এবার সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর। দুপুর দুটোয় সিইও-র দফতরে বৈঠক করা হবে কমিশনের তরফে। উপস্থিত থাকার কথা রাজ্যের ১০টি স্বীকৃত দলের।

কমিশন সূত্রে খবর প্রতিটি রাজনৈতিক দল থেকে একজন করে প্রতিনিধিত্ব করবেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে কোনও রাজনৈতিক দলই করোনা বিধি পালন করে শারীরিক দূরত্ব পালন করা বা মাস্ক সঠিক ভাবে ব্যবহার করছে না। দেশে ক্রমাগত বাড়তে চলা করোনা সংক্রমণের দিকে তাকিয়ে এই সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করেছে কমিশন।

এদিকে, নির্বাচনী জমায়েতে এবার রাশ টেনেছে কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচনী জমায়েত রুখতে জেলাশাসক ও নির্বাচন কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে বলে মত হাইকোর্টের। উচ্চ আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে কমিশন। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)-এর নির্দেশনামা জেলাশাসক ও নির্বাচন কমিশনকে পাঠানো হয়েছে।

আট দফায় নির্বাচন চলছে বাংলায়। ইতিমধ্যেই চার দফার ভোট শেষ। ভোটের বাংলায় জোরকদমে চলছে প্রচার, মিছিল, রোড শো। কোভিড বিধিকে শিকেয় তুলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নেতারাও দেদার মিটিং-মিছিল করে চলেছেন। পারস্পরিক দূরত্ব বিধি তো কোন ছাড়, অধিকাংশেরই মুখে নেই মাস্ক। এক কথায় ভোটের প্রচারে স্বাস্থ্য বিধির দফা-রফা।

স্বাভাবিক ভাবেই নির্বাচনের বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রামগত বেড়েই চলেছে। হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। হাসপাতালগুলিতে করোনা বেডের আকাল। এমনটা চলতে থাকলে গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দৈনিক সংক্রমণ প্রতিদিন আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে এগোচ্ছে।

কদিনে রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮১৭ জন। শুধু শহর কলকাতাতেই একদিনে করোনায় কাবু ১ হাজার ২৭৮ জন। রাজ্যজুড়ে করোনা পরিস্থিতি বিপজ্জনক আকার নিয়েছে। অতিমারী মোকাবিলায় কলকাতা হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার সেই মামলার পরিপ্রক্ষিতে জেলাশাসক ও নির্বাচন কমিশনকে তৎপর হতে নির্দেশ আদালতের। নির্বাচনী জমায়েত রুখতে জেলাশাসক ও নির্বাচন কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে বলে মত হাইকোর্টের। রাজনৈতিক দলগুলির সভা-সমাবেশে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে বলা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.