পাটনা: অবশেষে মুখ খুললেন নীতিশ কুমার। বিজেপির সঙ্গে জোট নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই, সাফ জানালেন জেডিইউ প্রধান। সব বিতর্কে জল ঢেলে নীতিশের সওয়াল, ‘অল ইজ ওয়েল’! নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নীতিশ কুমারকে বিঁধে টুইট করে চলেছেন জেডিইউ সহ সভাপতি তথা ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। এমনকী নীতিশ কুমারকে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতেও বলেন প্রশান্ত। এদিকে, নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে বিক্ষোভের আঁচ পড়ে বিহারেও। রাজধানী পাটনায় কেন্দ্রীয় আইনের বিরোধিতায় পছে নামেন বহু সাধারণ মানুষ। ফেস্টুন, ব্যানার হাতে কেন্দ্র-বিরোধিতায় সুর চড়ায় কেন্দ্র-বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে একাধিক গণ সংগঠনের কর্মীরা।

অন্যদিকে, জোটসঙ্গী জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোরের কেন্দ্র বিরোধী অবস্থানে অস্বস্তি বাড়ে বিহার জেডিইউ নেতৃত্বের। বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সুশীল মোদী জেডিইউ সহ সভাপতির বিজেপি বিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যেই মুখ খোলেন। ২০২০ সালে বিহারে বিধানসভা ভোটের আগে ক্রমশই উত্তাপ বাড়তে থাকে বিহার রাজনীতিতে। নীতিশ কুমার নাগরিকত্ব আইন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করায় বিহারে বিজেপি-জেডিইউ জোট নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ক্রমেই রাজ্য রাজনীতির প্রেক্ষাপট সরগরম হতে থাকায় অবশেষে মুখ খুললেন নীতিশ কুমার।

অস্বস্তি ঢাকতে এবার নীতিশ কুমার বললেন, ‘অল ইজ ওয়েল’। অবস্থান আরও স্পষ্ট করে নীতিশের ইঙ্গিত, বিহারে বিজেপি ও জেডিইউ জোট অটুট৷ ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও জেডিইউ ও বিজেপি জোট বেঁধেই ভোট ময়দানে নামবে বলে জানান নীতিশ কুমার৷ দুদলের জোটে কোনও ধাক্কা আসবে না বলেই স্পষ্ট করেছেন নীতিশ কুমার৷

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জেডিইউ ও বিজেপির মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়েও এর আগে প্রশ্ন তোলেন জেডিইউ সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। এখনও বিহারে জেডিইউ ও বিজেপির আসন সমঝোতা হয়নি বলে জানান প্রশান্ত। এরই পাশাপাশি বিহারে ২০০৯, ২০১৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতোই আসন সমঝোতারও দাবি তোলেন প্রশান্ত কিশোর। প্রশান্ত কিশোরের সেই দাবির পর থেকেই ক্রমশ ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে বিহার বিজেপি শিবিরে। বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী প্রকাশ্যে জেডিইউ সহ সভাপতির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন।