ওয়াশিংটন: কত বড়, বা কতদিন তার অস্তিত্ব, তা কোনও গুরুত্ব পায় না৷ ছায়াপথ মাত্রই ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে৷ সম্প্রতি একটি গবেষণায় এই খবর প্রকাশ পেয়েছে৷ পৃথিবী ও সূর্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়৷ পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে, বা সূর্যের চারিদিকে, যেদিকেই ঘুরুক, তা ঘড়ির কাঁটার দিকেই৷

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সুইস ঘড়ির মতো এর চলনক্ষমতা নির্ভুল নয়৷ কিন্তু ছোটো বা বড় নির্বিশেষে প্রতিটি ছায়াপথের শেষ ঘূর্ণনের দিকে যদি যাওয়া যায়, তাহলে স্পষ্টভাবে এটি লক্ষ্য করা যাবে৷ একবার সম্পূর্ণ ঘুরতে এরা কোটি কোটি বছর সময় নেয়৷ জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি রিসার্চের গারহার্ডট মেউরের৷ একটি সহজ অংকের সাহায্যে তিনি সম্পূর্ণ বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়েছেন৷

তিনি আরও বলেছেন, ছায়াপথের এই ধারাবাহিকতা তাদের বলবিজ্ঞান বুঝতে সাহায্য করে৷ ছায়াপথ যত ঘন হয় তত তাড়াতাড়ি ঘোরে৷ ঘনত্ব কম হলে এর ঘূর্ণন গতিও কমে যায়৷ তা সে ছায়াপথ ছোটো বা বড়, যাই হোক না কেন, আকার এক্ষেত্রে কোনও প্রভাব ফেলে না৷ গবেষকরা এনিয়ে কিছু প্রমাণও খুঁজে বের করেছেন৷ ছায়াপথের বাইরে যে নক্ষত্রগুলি থাকে, তা থেকেই প্রমাণ জোগাড় করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা৷

কিন্তু ছায়াপথের শেষ প্রান্তে শুধু গ্যাস এবং নতুন গঠিত নক্ষত্রের সন্ধান তাঁরা করেননি৷ তাঁরা সদ্য গঠিত নক্ষত্র এবং গ্যাসের সঙ্গে পুরোনো নক্ষত্রগুলির একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যার সন্ধান পেয়েছেন৷ গবেষকদের মতে, এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ কোনও ছায়াপথের শেষ হয়ে যাওয়া মানে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের হতে আর গবেষণার সময় থাকে না৷ গবেষণার সীমা ওই পর্যন্তই৷