স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: হায়দরাবাদ ধর্ষণ-খুন কান্ডে অভিযুক্তদের ইতিমধ্যেই এনকাউন্টার করেছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। সকাল থেকেই পুলিশ অফিসার ভি এস সজ্জানাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে দেশবাসী। যদিও এই ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে হাজারো বিতর্ক। এটা এনকাউন্টার না, এর পিছনে অন্য কিছু রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানামহলে।

পড়ুন আরও-  হায়দরাবাদের পুনরাবৃত্তি বাংলায়, যুবতীর অর্ধনগ্ন অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

একদিকে যখন এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে তখন অন্য এক দিকে বাংলার মালদহ ইংরেজবাজারের ধানতলা এলাকায় যুবতীর অর্ধনগ্ন অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায়, চব্বিশ ঘন্টা কেটে গেলেও মৃতার পরিচয় হদিশ করতে পারল না মালদহ জেলা পুলিশ। এদিকে এই ঘটনায় জেলা জুড়ে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সবাই চায়, পুলিশ অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করুক ও তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করুক।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মালদহের ধানতলা এলাকায় এক অপরিচিত যুবতীর অর্ধনগ্ন অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। যদিও ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেও এখনও পর্যন্ত মৃতের সঠিক নাম পরিচয় জানতে পারিনি পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে ওই ঘটনার নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠনোর ব্যবস্থা করছে পুলিশ।

মালদহের মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা জেলা নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিটির চেয়ারপার্সন চৈতালি ঘোষ সরকার বলেন, আমরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছি। এটা জঘন্য অপরাধ হয়েছে বলে মন্তব্য তাঁদের। অবিলম্বে পুলিশকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন চেয়ারপার্সন।

অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া বলেন, দুস্কৃতিদের খোঁজ পেতে পুলিশের তরফে তিনটি তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরিচয় জানতে আগামিদিনে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই নমুনা গুলি ফ্রিজাপ করা হয়েছে। দ্রুত ঘটনার তদন্ত শেষ করে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান অলোক রাজরিয়া।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও