মুম্বই: ম্যাচ জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাহাড়প্রমাণ ৭৬২ রান। লক্ষ্যমাত্রা দেখে এতটাই ঘাবড়ে গিয়েছিল বিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যানরা, যে রানের খাতা খুলতে পারল না ১১ জন ব্যাটসম্যানের কেউই। তবে দলের রানের খাতায় যোগ হল অতিরিক্ত মাত্র ৭ রান। ৭৫৩ রানে ম্যাচ জিতল প্রতিপক্ষ দল।

অবাক লাগলেও এমনটাই সত্যি। মুম্বইয়ে হ্যারিস শিল্ড অনুর্ধ্ব-১৬ স্কুল ক্রিকেটের একটি ম্যাচে ঘটল এমনই অবাক করা ঘটনা। যেখানে রানের বোঝা মাথায় নিয়ে আন্ধেরির চিলড্রেন’স অ্যাকাডেমির সকল ব্যাটসম্যানই ফিরল স্কোরের খাতায় কোনও রান না তুলেই। আজাদ ময়দানের নিউ এরা ক্রিকেট ক্লাবে ৭৫৪ রানের বিরাট জয় পেল বোরিভালির স্বামী বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। চিলড্রেন’স অ্যাকাডেমির স্কোরের খাতায় যদিও ৭ রান যোগ হয়, সৌজন্যে একটি বাই ও ছ’টি ওয়াইড।

আরও পড়ুন: শামি যে কেনও বলেই আগুন ঝরাতে পারে, মত ঋদ্ধির

স্বামী বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের হয়ে ৩ ওভারে ৬টি উইকেট ঝুলিতে ভরে অলোক পাল, ২টি উইকেট বরোদ বাজের। চিলডেন’স অ্যাকাডেমির বাকি দুই ব্যাটসম্যান রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরে। হ্যারিস শিল্ডের এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে মিত মায়েকারের ত্রিশতরান, কৃষ্ণ পারতের ৯৫ ও ইশান রায়ের ৬৭ রানে ভর করে নির্ধারিত ৪৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৬০৫ রান তোলে এসভিআইএস। ১৩৪ বলে মায়েকারের বিস্ফোরক ৩৩৮ রানের ইনিংসে ছিল ৫৬টি চার ও ৭টি ছয়।

আরও পড়ুন: বিশ্বরেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপে সোনা জয় মনু ভাকেরের

এই বিশাল রানের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার পরেও পেনাল্টি পায় জয়ী দল। আন্ধেরি চিলড্রেন’স অ্যাকাডেমি বরাদ্দ সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ৪৫ ওভার শেষ না করতে পারায় শাস্তিস্বরূপ প্রতিপক্ষকে ১৫৬ রান প্রাদান করা হয়। সবমিলিয়ে ৭৬২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্রিজে নেমে ল্যাজেগোবরে অবস্থা হয় চিলড্রেন’স অ্যাকাডেমির। বিপক্ষ বোলারদের সামনে ন্যূনতম এক রান করতেও ব্যর্থ হন বিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। সবমিলিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ ইটারন্যাশনাল স্কুলের অবাঞ্ছিত এই রেকর্ড নিশ্চিতভাবেই থেকে যাবে স্কুল ক্রিকেটের ইতিহাসের পাতায়।