লখনউ: বাবরি মসজিদ মামলায় সবাই মুক্ত। বুধবার উত্তরপ্রদেশের আদালতের রায়ে বেকসুর খালাস আদবানী, যোশী, সহ ৩২ জন অভিযুক্ত।

এদোন আদালতের বিচারপতি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পরিকল্পিত ছিল না। এই মামলায় তাই প্রত্যেকেই বেকসুর খালাস।

আরও পড়ুন: রাত আড়াইটায় ধর্ষিতার দেহ তুলে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দিল পুলিশ

লখনউয়ের বিশেষ আদালতে ২৪ বছরের পুরনো এই মামলার রায় ছিল বুধবার। আর সেই রায় মুক্তি পেলেন বিজেপি নেতৃত্ব লালকৃষ্ণ আদবানী, মুরলী মনোহর যোশী ও উমা ভারতী সহ ৩২ জন। যদিও এই তিনজন এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ভিডিও লিংকের মাধ্যমে তাঁরা যোগ দেন।

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার দরুণ আসতে পারেননি উমা ভারতী ও কল্যান সিং। করোনা থেকে সদ্য সেরে ওঠার জন্য আসেননি নৃত্য গোপাল দাসও।

আরও পড়ুন: পুজোর আগেই বাজারে কম দামে নয়া ফোন, থাকছে দুর্দান্ত ফিচার

বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় যে ৪৯ জন অভিযুক্ত ছিলেন, তার মধ্যে বর্তমানে জীবিত রয়েছেন ৩২ জন। এদের মধ্যে ২৬ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ ছিল ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দী প্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আডবাণী, যোশী, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।

গত ১ সেপ্টেম্বর বাবরি-ধ্বংস মামলার শুনানি শেষ হয় সিবিআই বিশেষ আদালতে। বাবরি মামলায় ৩৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে তুলে ধরে সিবিআই। মসজিদ ধ্বংসে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ৪৮ জনের মধ্যে ১৬ জনের ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে। সেই কারণেই বুধবার মামলার রায়দানে ৩২ জনকে আদালতে সশরীরে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক।

অভিযোগ, করসেবকদের নানাভাবে উসকানি দিয়ে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দীপ্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আদবানী, যোশি, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।

মূলত তাঁদের প্ররোচনাতেই সেদিন মসজিদে তাণ্ডব চালায় করসেবকরা, এমনই অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময়ে একাধিকবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশীরা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।