কলকাতা: পাড়া,প্রেম,ফুটবল সব মিলেমিশে ঘেঁটে ঘ। তার সঙ্গে দুই পরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্ব। তাও কী নিয়ে? নাকি, ফুটবল এবং মারাদোনার জুতো। দুই বাড়ির দাবি তাদের বাড়িতেই আছে মারাদোনার জুতো। তার যুক্তি, মারাদোনা বাঁ পায়ে খেলত আর বাঁ পায়ের জুতোটাই আছে তাঁদের বাড়িতে। আর এই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে রীতিমতো ডার্বি ম্যাচ।

তাতে এক জেনারেশন মজা নিচ্ছে আরেক জেনারেশন ফেঁসে গেছে নিজেদেরই ইমোশানে আর অন্য এক জেনারেশন মোশন ইমোশনের কনফিউশনে একাকার। সব মিলিয়ে মারাত্মক চাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই ফুটবল পাগল পাড়ায়। জল-হাওয়ার ঠেলায়, পিটুইটারির খেলায় প্রেম যুদ্ধ? নাকি যুদ্ধই প্রেম ?নাকি প্রেমের যুদ্ধ তা বোঝা ভারি দায়।

আর এইসব ঘটনা ঘটছে পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের আসন্ন হইচই রিলিজ ‘মারাদোনার জুতো’তে। ছবিতে অভিনয় করছে এক ঝাঁক তরুণ তুর্কি। মুখ্য ভূমিকায় প্রেম-টেম এর ‘রাজী’ খ্যাত সুস্মিতা চ্যাটার্জি, অমর্ত্য রায়।

কিন্তু আনুষাঙ্গিক প্রতিটি চরিত্র ইক্যুয়ালি গুরুত্বপূর্ণ এই ছবির ক্ষেত্রে। অমর্ত্যের বন্ধুর ভূমিকায় উজান চ্যাটার্জী। যে সুখে-দুখে বিপদে-আপদে নানা ধরনের সাজেশন দিয়ে তাঁকে হেল্প করে থাকেন। অন্যদিকে অনির্বাণ চক্রবর্তী ও ময়না মুখার্জি দুই বাড়ির দ্বন্দ্বে পড়ে মাঝবয়সে পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিন্তু এই ঝগড়ার সবথেকে বেশি মজা নিচ্ছেন দুজন বয়স্কা মহিলা। তবে চাপটা হয়ে গেছে অন্য জায়গায়। যেহেতু এই গল্পে প্রেমটাই সবথেকে বড় টুইস্ট, তাই প্রেম যে কখন চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে তা বোঝা মুশকিল।

এই মাসের ৩০ তারিখেই মুক্তি পেতে চলেছে মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় হইচইয়ের আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘মারাদোনার জুতো’। গল্পের ক্যাপশন, দেখে যেটুকু বোঝা যাচ্ছে একজোড়া জুতোর পেছনে লুকিয়ে আছে অনেক মান অভিমান এবং ভালোবাসার গল্প । তবে দুই পরিবারের দ্বন্দ কোথাও যেন সোরগোল পাকিয়ে গোল দিয়েছে ভালোবাসায়। তাই এই প্রেমের পরিণতি যে কী হতে পারে তা সত্যিই চিন্তার। তবে এই ওয়েব সিরিজের অন্যতম চমক একেবারে তাক লাগানো অন্য ভূমিকায় সুজয় প্রসাদ চ্যাটার্জী। শেষ অবধি ‘মারাদোনার জুতো’ লাভ নাকি প্রেমে মনের ভাব কোনটা টিকবে তাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.