আলিগড়: একদিকে যখন বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় হনুমান চাল্লিশা বা মহা আরতি করার প্রবণতা বাড়ছে, তখন রাস্তায় কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দিল আলিগড়ের প্রশাসন।

নমাজও পড়া যাবে না আবার হনুমান চাল্লিশাও পড়া যাবে না।

মুসলিমরা রাস্তায় নমাজ আদায় করে। তাই তার পাল্টা হিসেবে গত কয়েকদিন ধরে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার রাস্তায় বসে হনুমান চাল্লিশা পাঠ করছিল কয়েকটি হিন্দু সংগঠন। একই সঙ্গে মহা আরতিও করা হচ্ছিল। দুই ধর্মের মধ্যে এমন রেষারেষির পরিস্থিতির কারণে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আলিগড়ের জেলা প্রশাসক সি বি সিং জানিয়েছেন, আগাম অনুমতি ছাড়া রাস্তার উপর শুক্রবারের নামাজ আদায়েও এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

তাঁর মতে, প্রত্যেকেরই তাদের নিজেদের ধর্মীয় আচার পালনের অধিকার রয়েছে। তবে তা তাঁরা করবেন নিজেদের ধর্মীয় স্থানে, রাস্তার উপর নয়। রাস্তায় ধর্মীয় কার্যকলাপ পালন করা হলে তাতে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে।

সি বি সিং আরও জানান, নামাজ আদায়সহ সব ধরণের ধর্মীর কার্যকলাপের ক্ষেত্রে একই নির্দেশিকা জারি থাকবে। তবে ঈদের মতো বিশেষ অনুষ্ঠানে যেখানে প্রচুর মানুষ জড়ো হন, সে ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে।

রাস্তায় নামাজ আদায় করায় চলতি মাসে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার মন্দিরগুলোর সামনের রাস্তায় বসে হনুমান চাল্লিশা পাঠ করে বজরং দলের মতো বিভিন্ন সংগঠন। তাতে বহু মানুষ যোগ দেওয়ায় যানচলাচল বিঘ্নিত হয়।